Showing posts with label TECHNOLOGY. Show all posts
Showing posts with label TECHNOLOGY. Show all posts

Friday, June 1, 2018

স্যাটেলাইট এর আদ্যোপান্ত(All About Satellite)!

ALL ABOUT SATELLITE!

আমরা এখন স্যাটেলাইট ন্যাশন!(বাংলাদেশ)।
তাই আমাদের স্যাটেলাইট নিয়ে বিশদ জানা দরকার।আর তারই এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার ফসল এই পোস্ট। এই পোস্টের টপিক(স্যাটেলাইট এর আদ্যোপান্ত)
বুঝতেই পারছেন,অনেক আলোচনা।হব্বে!

স্যাটেলাইট কী? 📡

উপগ্রহ ত আমরা সকলেই চিনি। গ্রহকে কেন্দ্র করে যা ঘোরে সেটিই উপগ্রহ । অর্থাৎ যেগুলো পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরে সেগুলো পৃথিবীর । । আর এই উপগ্রহ হয় দুই ধরনের। যথা – প্রাকৃতিক উপগ্রহ & কৃত্রিম উপগ্রহ। যেমন চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। বঙ্গবন্ধু-১স্যাটেলাইট হল কৃত্রিম উপগ্রহ যেটা প্রকৃতির নয় মানবসৃষ্ট।এই উপগ্রহ পুরো পৃথিবীকে ২৪ ঘন্টা পর পর অতিক্রম করে। দূরবর্তী টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট, টিভি চ্যানেল সম্প্রচার এ স্যাটেলাইট আমাদের ব্যাপকভাবে সাহায্য করে।

🚀এর প্রয়োজনীয়তা কী ?

ইতিমধ্যে আমরা বুঝে গেছি স্যাটেলাইট এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে। কিন্তু এখন একটু বিস্তারিত বলতে চাই। অনেকে প্রশ্ন করে আমি এন্টেনা ব্যবহার করে কিংবা টাওয়ার বসিয়েই তো আমার তথ্য দূরে পাঠাতে পারি। স্যাটেলাইট কেন দরকার??
ধরুন, আপনি আপনার একটা ছবি ইন্টারনেট এ আপনার আত্নীয়ের কাছে পাঠাবেন যে অস্ট্রেলিয়ায় থাকে। এখন এই ডাটাটি চাইলেই আমি এন্টেনা, টাওয়ার ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর প্রচেষ্টা করতে পারি। কিন্তু সেটা পন্ডশ্রম হবে। কেন? কারণ পৃথিবী কমলালেবুর মত বা প্রায় গোলাকৃতির। তাই অনেক দূর যখন ডাটাটি ভ্রমণ করবে সেক্ষেত্রে ডাটা লসের ঘটনাটি ঘটবে। শেষ মেষ তার গন্তব্যে পৌছাতে পারবেনা। তাই স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয় সেতুবন্ধন কারী হিসেবে। যে বাংলাদেশ & অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে যোগাযোগ এর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম, ধরেন আপনি আপনার ফ্রেন্ডকে একটা বল ছূড়ে মারতে চান। সে আপনার থেকে অনেক দূরে। বলটা সে পর্যন্ত নাও যেতে পারে। তাই দুজনের মাঝে যদি অন্য একজন বন্ধু রাখেন তাহলে সহজেই কাজটা হবে। সে আপনার থেকে নিয়ে আপনার বন্ধুকে চালান করে দিবে।

🚀স্যাটেলাইট কয় ধরনের?

কাজের ভিত্তিতে তিন ধরনের স্যাটেলাইট আছে। সেগুলো হল :
★LEO ( Low Earth Orbit ) – পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ১৬০-২০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। সাধারণত পৃথিবীকে পর্যবেক্ষণকারী স্যাটেলাইটগুলো এই কক্ষপথে থাকে। পৃথিবী পৃষ্ঠের খুব কাছে থাকায় এই কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবীকে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। আন্তর্জাতিক স্পেস ষ্টেশন এই কক্ষপথে অবস্থিত। এগুলো টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট এর জন্য ব্যবহার হয়।
★MEO ( Medium Earth Orbit) – পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ২০০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। সাধারণত জিপিএস স্যাটেলাইট গুলো এই কক্ষপথে থাকে। এই কক্ষপথের স্যাটেলাইট গুলোর গতিবেগ মন্থর। এই স্যাটেলাইটগুলো পাঠাতে অনেক শক্তির প্রয়োজন হয়। এটা নেভিগেশন, সামরিকবাহিনীদের কাজে লাগে।
★GEO (Geostationary Earth Orbit) – GEO পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ৩৬০০০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। এই কক্ষপথে অ্যান্টেনা এর অবস্থান নির্দিষ্ট থাকে। সাধারণত রেডিও এবং টিভি এর ট্রান্সমিশনের কাজে ব্যাবহার করা হয়।

🚀স্যাটেলাইট ভূ-পৃষ্ঠে পড়ে যায় না কেন? এটা কিভাবে নিরবচ্ছিন্নভাবে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে?


এ আলোচনার আগে আমি আপনাদের একটু পদার্থবিজ্ঞান এর পরমাণু অধ্যায় টা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। যেখানে আলোচনা করা হয়েছিল পরমানুর কক্ষপথে ইলেকট্রন কিভাবে ঘুরে? কেন নিউক্লিয়াস এ পতিত হয়না? নিশ্চয় মনে আছে সবার? এক্ষেত্রেও ব্যাপারটা সেরকম। স্যাটেলাইট পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে তখন পৃথিবীর কেন্দ্র বরাবর তার একটি বল কাজ করে যাকে বলে কেন্দ্রমুখী বল। আরেকটি বল কাজ করে যেটা তাকে তার কক্ষপথ থেকে ছিটকে নিয়ে যেতে চায়। একে কেন্দ্রাবিমুখী বল বলে। এখন, এই কেন্দ্রমুখী & কেন্দ্রাবিমুখী বল সমান থাকায় সেটা একটি নির্দিষ্ট বেগে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে। ছিটকে পড়ে না বা ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয়না। ধরেন, আপনি দড়িতে একটি পাথর বেধে ঘুরাচ্ছেন। এই পাথর তখনি ছিটকে পড়বে যখন এই দুই বল পরস্পর সমান হবেনা।

🚀 কিভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়?

কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপন করার জন্য আলাদা মহাশূন্য যান রয়েছে। একে বলা হয় “উৎক্ষেপণ যন্ত্র (Launch Vehicle)। কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপনের ক্ষেত্রে যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি মাথা ঘামাতে হয়, তা হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ এবং মহাশূন্য যানটির গতির সমতা রক্ষা করা। কারণ অভিকর্ষজ ত্বরণ আমাদের উৎক্ষেপণ যন্ত্রকে পৃথিবীর দিকে টানতে থাকে।
দুই ধরনের উৎক্ষেপণ যন্ত্র রয়েছে – অপচয়যোগ্য রকেট এবং মহাশূন্য শাটল। অপচয়যোগ্য রকেটগুলো স্যাটেলাইট স্থাপন শেষে ধ্বংস হয়ে যায়। অপরদিকে মহাশূন্য শাটলগুলো স্যাটেলাইট স্থাপনের কাজে বারবার ব্যবহার করা যায়। উৎক্ষেপণ যন্ত্রের গতিবেগ উচ্চতার উপর অনেকটা নির্ভর করে। কম উচ্চতার কক্ষপথে (Low Earth Orbit = LEO) এর বেগ ৭.৮ কি.মি./সেকেন্ড, বেশি উচ্চতার কক্ষপথে (Geostationary Earth Orbit =GEO) এর বেগ ৩.১ কিমি/সে ।

🚀 স্যাটেলাইট এর দূরত্ব ও বেগের হিসাব।
বেগ নির্ণয় :

Fc = Centrifugal force ( কেন্দ্রমুখী বল)
Fe = Centripetal force (কেন্দ্রবিমুখী বল)
এখন,
Fc = Fe
or, mv^2/(R+h)= mg
or, g = v^2/(R+h)
or, GM/(R+h)^2 = v^2/(R+h)
or, v = sqrt (GM/R+h)
এখন, G = Gravitational constant = 6.67 * 10^-11
M = Mass of earth = 6 * 10^24 kg
R = radius of earth = 6400 km
h = height from earth surface = 35000 km
So, Velocity of satellite = 3.075 * 10^3 m/s
দুরত্ব হিসেব :
v = sqrt GM/(R+h)
or, v^2 = GM/(R+h)
or, h = GM / v^2 – R
এখন, G = Gravitational constant = 6.67 * 10^-11
M = Mass of earth = 6 * 10^24 kg
R = radius of earth = 6400 km
v = Velocity of satellite = 3.075 * 10^3 m/s
so, h = 35000 km

📡 ক) স্যাটেলাইট তো ঘূর্ণয়মান। তাইলে সেটা কিভাবে আমাদের গ্রাউন্ডিং স্টেশন এর সিগনাল রিসিভ করে?

উ: অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা কাজ করে যে স্যাটেলাইট তো ঘূর্ণয়মান। তাইলে সেটা কিভাবে পৃথিবী থেকে পাঠানো সিগন্যাল রিসিভ করে কিংবা পৃথিবী তার সিগনাল রিসিভ করে। ব্যাপারটা মজার। ধরুণ, আপনি বড় একটা বৃত্ত এবং আপনার বন্ধু একটা ছোট বৃত্ত আকল। কার আকা আগে শেষ হবে?? নিশ্চয়ই বলবেন আপনার বন্ধুর?! কারণ সে ছোট বৃত্ত একেছে। সময় তো কম লাগবেই। যদি প্রশ্ন করা হয় দুইজনেই একই সময়ে আকা শেষ করতে পারবেন??? এটা কি সম্ভব??? হ্যা অবশ্যই সম্ভব। এক্ষেত্রে আপনার আকার গতি বাড়িয়ে দিতে হবে। যেহেতু আপনি বড় বৃত্ত আঁকবেন। একইভাবে স্যাটেলাইট ও পৃথিবীর ঘূর্ণন তালে সমতা আনা হয়। তাই পৃথিবীও নিজ অক্ষকে একবার আবর্তন করতে ২৪ ঘন্টা সময় লাগে এবং স্যাটেলাইট এরও সেই একই সময় লাগে। তাই পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে স্যাটেলাইট কে আপাতদৃষ্টিতে স্থির মনে হয়। তাই কোন সিগন্যাল রিসিভ / ট্রান্সমিশন এ কোন সমস্যা হয়না। তবে মাঝেমধ্যে তালের সমতা হারিয়ে যেতে পারে। তখন স্যাটেলাইট নিজস্ব গ্যাসীয় উদগীরণের মাধ্যমে সেটা মানিয়ে নেয়।

📡খ) স্যাটেলাইট এর জন্য কিভাবে পাওয়ার সরবরাহ করা হয়?

উ: প্রত্যেক স্যাটেলাইটে ৩২০০০ সোলার সেল মাউন্টেড করা থাকে যারা ৫২০ ওয়াট পাওয়ার সরবরাহ করতে পারে এবং ব্যাক আপ হিসেবে থাকে ক্যাডমিয়াম ব্যাটারি। নিউক্লিয়ার পাওয়ার সোর্স ও মাঝেমাঝে ব্যবহার করা হয়। এর পাওয়ার সিস্টেম প্রসেসকে পৃথিবী থেকে সবসময় মনিটর করা হয়। স্যাটেলাইটে একটি অনবোর্ড কম্পিউটার থাকে যা একে নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন সিস্টেমকে মনিটর করে।

📡গ) স্যাটেলাইট কি কি ডিভাইস নিয়ে গঠিত?

উ: স্যাটেলাইট এর মূল চালিকাশক্তি হল স্যাটেলাইট Transponder যা নিম্নোক্ত ডিভাইস নিয়ে গঠিত :
১) Band Pass Filter
২) Low Noise Amplifier
৩) Frequency Translator
৪) Microwave shift oscillator
৫) Radio Frequency Mixer
৬) Power Amplifier
৭) High Resoluted Camera
৮) Processor with high clock speed
৯) High power Transmitting antenna
১০) High power receiving Antenna


📡ঘ) আপলিঙ্ক & ডাউনলিঙ্ক কি?

উ: গ্রাউন্ড স্টেশন এন্টেনা থেকে যে ডাটা লিংক / চ্যানেল এর মাধ্যমে ডাটা স্যাটেলাইট এর রিসিভিং এন্টেনায় পৌছায় তাকে আপলিঙ্ক বলে।
আর স্যাটেলাইট এর ট্রান্সমিটিং এন্টেনা থেকে যে চ্যানেল / ডাটা লিঙ্ক এর মাধ্যমে ডাটা গ্রাউন্ড স্টেশন এর এন্টেনায় পৌছায় তাকে ডাউনলিঙ্ক বলে।
জিনিসটা একে অন্যের উলটো। অনেকের হয়তো হিজিবিজি লাগতে পারে। তাদের জন্য একটা উদাহরণ দিই। ধরুন, আপনি আপনার ফ্রেন্ডের দিকে একটা বল ছুড়ে মারবেন। এখন কাজটা সহজ করার জন্য দুজনের মাঝে অন্য একজন ফ্রেন্ড রাখলেন যে আপনার থেকে বলটা ক্যাচ ধরে আপনার বন্ধুকে দিবে। এখন আপনি মাঝের বন্ধুর দিকে বল ছুড়ে দিলেন। আপনাদের লিঙ্ক টা আপলিঙ্ক। এবার মাঝের বন্ধু অপাশের বন্ধুকে বল টা ছুড়ে মারবে। তাদের লিঙ্ক টা ডাউনলিঙ্ক। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

📡ঙ) স্যাটেলাইট এর বিকল্প প্রযুক্তি কি? কোনটায় সুবিধা বেশি?

স্যাটেলাইট এর বিকল্প প্রযুক্তি হল সাবমেরিন ক্যাবল। সাগরের নিচে পাতানো এই অপটিক্যাল ফাইবার চোখের পলক পড়ার আগেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে ডাটা পৌছে দেয়। সময় পেলে অন্য আরেকদিন এটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
সুবিধার কথা চিন্তা করলে সাবমেরিন ক্যাবল উত্তম।
কারণ—–
১) ব্যান্ডউইথ অনেক বেশি
২) Guided medium হওয়াতে ডাটা লস কম
৩) Electromagnetic interference নেই
৪) ডাটা পৌছে আলোর দ্রুতিতে যেহেতু ফাইবার based & লেজার / এল ই ডি ব্যবহার করে ডাটা পাঠানো হয়।
এবার অনেকে প্রশ্ন করতে পারে, তাইলে আর স্যাটেলাইট কেন?
কারণ, চাইলেই যখন তখন সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন বসানো সম্ভব নয়। প্রত্যেক দেশকেই আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা থেকে একটি লিমিটেড ব্যান্ডউইথ বেধে দেয়া হয়। তাই সাবমেরিন ক্যাবল এর পাশাপাশি এই স্যাটেলাইট কে ব্যাক আপ হিসেবে রাখা হয়।

Thanks For Reading
তো অনেক কিছুইতো জানা হয়ে গেল!ঠিক না?
😁

Thursday, May 31, 2018

স্মার্টফোন গরম হওয়ার কারন ও করনীয়!

স্মার্টফোন গরম হওয়ার কারন ও করনীয়!


বর্তমান এই প্রযুক্তিনির্ভর যুগে প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। তবে স্মার্টফোনের অন্যতম একটি সমস্যা হলো- ব্যবহারের মাঝখানে খুবই গরম হয়ে যায়। স্মার্টফোন গরম হওয়ার বেশ কিছু কারণও আছে। তবে অতিরিক্ত গরম বিপদের কারণ হতে পারে। তাই আমাদের স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হবার কারণ এবং সমাধান জানা দরকার।

ব্যাটারি:

মোবাইল কোম্পানিগুলো স্মার্টফোন দিন দিন পাতলা করছে। তবে তার তুলনায় ব্যাটারির প্রযুক্তি তেমন উন্নত হয়নি। ব্যাটারি যত বেশি দুর্বল হবে ফোন ততো বেশি তাপ উৎপন্ন করবে। ব্যাটারি চার্জ নেওয়ার সময় অথবা ডিচার্জ হওয়ার সময়েও ফোন বেশি গরম হয়ে থাকে।

কি পরিমান গরম হওয়া স্বাভাবিক:

আপনার ফোন কম দামি বলে বেশি গরম হয়, তা ঠিক নয়। স্বাভাবিকভাবে স্মার্টফোন ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম হতে পারে। তবে স্ট্যান্ড বাই মোডেও যদি ফোনটি ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম হয় তবে বুঝবেন আপনার ফোনে সমস্যা আছে।

দুর্বল নেটওয়ার্ক:

ফোন গরম হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে দুর্বল নেটওয়ার্ক। আপনার ফোনে যদি নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকে তখন সিগনাল যায় আর আসে। আবার ওয়াইফাই ব্যবহারে সিগন্যালের জন্য অনেক বেগ পেতে হয়। দুর্বল নেটওয়ার্কের জন্য ফোনে বেশি চাপ পরে, যার ফলে স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে থাকে।

প্রসেসর:

স্মার্টফোন গরম হওয়ার একটি করণ হচ্ছে প্রসেসর গরম হওয়া। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন স্মার্টফোনের মূল অঙ্গ হচ্ছে প্রসেসর। প্রসেসর এমন একটি ডিভাইস যা সবসময় কাজ করে থাকে। আপনি ফোন ব্যবহার করেন আর নাই করেন। প্রসেসর স্মার্টফোনের বডির সঙ্গে লাগানো থাকে যার ফলে তাপ অনুভব হয়।

স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম থেকে মুক্তির উপায়:

সবসময় খেয়াল রাখবেন যে ফোনে যেন চার্জ থাকে। একসঙ্গে বেশি অ্যাপস চালু করে রাখবেন না। ফোনের অতিরিক্ত অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশি জায়গা নিয়ে নিচ্ছে কিনা সে দিকে খেয়াল রাখুন। স্মার্টফোন বেশি ব্যবহার করলে বা ফোনে অতিরিক্ত গেমস খেললে গরম হয় এটা একেবারেই ঠিক নয়।
র্যাম ও ক্যাশ মেমোরি সবসময় পরিস্কার রাখুন। অপ্রয়োজনীয় ম্যাসেজ ডিলিট করুন। ফোনে কোনো অ্যানিমিশন চালু থাকলে বন্ধ করুন। ফোনে এমন কভার ব্যবহার করুন যেন কভারটি চামরার হয়। বাহিরের তাপে যেন ফোন গরম না হয়ে যায় সেই দিকে খেয়াল রাখুন।

সবসময় ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। পাশাপাশি, সবসময় ডেটা চালু করে রাখা উচিৎ নয়।

রেললাইনের মাঝে পাথরের টুকরা থাকার কারণ!!!

রেললাইনের মাঝে পাথরের টুকরা থাকার কারণ!!!কি,জানা আছে?😀


রেলপথে ভ্রমণ করা সবসময় মজাদার হয় কারণ আপনি পুরো ভ্রমণ জুড়ে আশ্চর্যজনক দৃশ্য দেখতে পান, নদী বা বিশাল ময়দান গুলো সবুজ বৃক্ষ দ্বারা পরিপূর্ণ ইত্যাদি দেখা যায়, কিন্তু রেলওয়ে ট্র্যাকগুলিকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। তারা সবসময় পাথরের টুকরা দিয়ে আবৃত থাকে, এটি কোথাও কোথাও নয়, সবসময় সব জায়গায় দেখা যায়। সবাই এই রেল ট্র্যাক অতিক্রম করতে ভালবাসে কিন্তু এই এব্রোখেব্রো খচিত পাথরের উপর হাঁটা খুব আরামের নয়।

এটা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে একটি রেল ট্র্যাক অতিক্রম অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। বস্তুত, 200 লোকের মধ্যে 1 জন তাদের জীবন হারায় এভাবে, তবে এখনও, আমরা যাই করি না কেন, আমি নিশ্চিত যে আমরা অন্তত একবার আমাদের জীবনে একটি রেল ট্র্যাক পার হয়েছি, কিন্তু এটি এখনও খুব বেশী ঝুঁকিপূর্ণ, এবং সত্যিই আমরা এর মূল্য দেই না।

যাইহোক মুল বিষয়ে ফেরা যাক, আপনি কখনও ভেবেছেন এই খচিত পাথরের খন্ড গুলো রেললাইনে রাখা হয় কেন ?যদি জানতে চান তাহলে নীচের এই পয়েন্টগুলি পড়ুন।
এটা কি কখনও তোমার মনে এসেছিল?
ট্রেন লাইন গুলির মাঝখানে এই চুনযুক্ত পাথরগুলিকে বলা হয় নুড়ি। এটি মূলত লাইনের বেড তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয় যার উপর রেললাইন শুয়ে থাকে। লাইনের স্লিপার গুলোকে স্থায়ী ও মজবুত ভাবে টিকিয়ে রাখতে ব্যবহৃত হয় এই পাথর খন্ড গুলি। এখানে ব্যাবহার হয় – ভাঙা পাথর, নুড়ি, বালি, ইট বেল্ট, সিণ্ডার ইত্যাদি।
ট্রেন লাইন গুলির মাঝখানে এই চুনযুক্ত পাথরগুলিকে বলা হয় ব্যালেস্ট
কাঠের রেল বন্ধন গুলিকে ঠিক জায়গায় বসিয়ে রাখতে এই খচিত পাথর ব্যাবহার হয়
এই কাঠের স্লিপার্স গুলোকে দৃঢ় ভাবে সংযুক্ত রাখতে সাহায্য করে
কিন্তু এই পাথর মসৃণ না, এগুলির ধারালো ধার আছে যাতে কাঠের beams একে অপরের উপর স্লাইড বা পিছলে না যায়
পাথরগুলি মাটির কম্পন, ওজন পরিবর্তনের সুবিধা প্রদান করে এবং বৃষ্টিপাতের পর ট্র্যাকগুলির থেকে জল নিষ্কাশন করতে সাহায়্য করে
এই খচিত পাথর মাটির ভিত্তি গঠন করে, যা মাটির বৃদ্ধিকে উচ্চতর করে তোলে যাতে ট্র্যাকগুলি বন্যা থেকে রক্ষা পায়
এটি তৃণশয্যা এবং গাছপালা যা দ্রুত ট্র্যাককে ঢেকে দিতে পারে, সেগুলির থেকেও রক্ষা করে
একটি পাথর খন্ড খারাপভাবে কাজ না করলে, অন্য পাথর সঠিকভাবে কাজ করে বিপদ নিস্কাসন করে; এইভাবে কোনো পাথর খন্ড খারাপভাবে কাজ না করলে পরিবর্তে অন্য গুলো কাজ করে
অতএব, এই খচিত পাথর গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
একটি আবেদন: যারা রেললাইন গুলি পারাপার করেন, তারা জীবনের সাথে খেলা করবেন না! সাবধান থাকুন, সুস্থ থাকুন!

Sunday, May 6, 2018

THE DREADFUL MACHINERY LIFE!

We are outranked by our creation and we are still happy and proud of it by challenging with God and Nature.
What we are thinking and doing is executing only by the artificial touch in our brain & nature!

And I know you are now realizing the destructive impact of dealing with a machinery life by leaving a natural life.
You know, you were alarmed so many times but you,me and most of us were in a don't care mode and that's why we along with our nature are at a great risk!

We are giving machines the chance to evolve themselves and adapt them through the updating era.But you know our evolving process is much slower than machines.Hawking’s predictions might not be so far to embodied.

It was not a good decision to place artificiality over nature and it's not gonna be a better decision to making machines more prior because it's not the only way of making life more flexible and simple because here in this machinery lifestyle we are not safe,our future is in great risk nature is dying and in this situation after understanding this after effect we wanna fly through space to another planet!
Very rude goodbye to Earth!

We human are the best creature ever created by God but we ourselves are destroying us by our destructive artificial machines to which we are losing our dignity and independence and becoming dependent to them eventually.

We are becoming less prior in institutions in front of machines. You noticed that,we created them once and now we are at in their control, judgement and selection and much more to say.

Now you are thinking of leaving machinery artificial life and accepting our forefather’s primitive peaceful life where there were no artificial touch Nature was the king over everything.But now we son of the nature helping our enemy to defeat our mother nature!

It's not possible to get back those primitive golden era to be continued by you.But you know there's one best solution for us to be lived in between nature and artificiality without hampering nature in a controlled way.
What you have to do Is just make it(the range of the usage of machines) as limited as possible. Yah it's hard but you should remember,
"Good changes needs time and hardships to be embodied"
You must not forget,
"Everything which are natural are best, although less functional,cause they are free from the diffusion of the impurity of artificiality"

কলমের কালির রসায়ন!

যে কলম দিয়ে লেখা হয় সে কলমকে আমরা চিনি?
এর কালির বিজ্ঞান তো আমাদের জানা নেই!তাই জানাবে তন্ময়, এই পোস্টে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করা হবে কলমের কালির রসায়ন নিয়ে!


কলমের কালির কোন নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান নেই। বিভিন্ন কোম্পানী তাদের নিজেদের সুবিধা মত রাসায়নিক ব্যবহার করে। তবে সাধারণত যে উপাদানগুলো ব্যবহার করা হয় তাদের সম্পর্কে নিচে লিখা হল।

মূল উপাদানঃ

যেকোন ধরণের কালির মূল উপাদান হল ডাই এবং পিগমেন্ট। ডাই হল পানিতে সম্পূর্ণ দ্রবীভূত একপ্রকার রঙ্গিন পদার্থ। অন্যদিকে পিগমেন্ট হল রঙ্গিন পাওডার।
বলপয়েন্ট কলমের কালিতে শুধু ডাই থাকে কেননা পিগমেন্টের দানা বলের সাথে লেগে থেকে প্রতবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। 
এছাড়াও প্রয়োজন অনুযায়ী কালিতে পানি, তেল বা অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। তেলের কারনেই বলপয়েন্টের কালি মোটা গাঁড় হয়, তাড়াতাড়ি শুকায় এবং স্থায়ী হয়।

কালির রঙঃ


সাদাঃ
সাদা কালিতে পিগমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় টাইটেনিয়াম ডাইঅক্সাইড যা টাইটেনিয়াম হোয়াইট হিসেবেও পরিচিত।

কালঃ
কালো কালির কাল রঙ আসে কার্বন থেকে। সব কালো কালির অপরিহার্য উপাদান হল কার্বন।

লালঃ
লাল কালির লাল রঙ আসে ইয়োসিন অথবা পটাসিয়াম ফেরিক সায়ানাইড থেকে।

নীলঃ
নীল কালির  জন্য ব্যবহার করা হয় ট্রাইফিলাইলমিথেন ডাই, কৃস্টাল ভায়োলেট, কিউপ্রিক অ্যামোনিয়াম সালফেট ইত্যাদি।

অন্যান্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিকঃ



গাম অ্যারাবিকঃ
গাম অ্যারাবিক একটি সোনালি রঙের জটিল পলিস্যাকারাইড যা Accacia গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। গ্লুকোরোনিক এসিড,  Rhamnose, Arabinose, প্রোটিন এবং গ্যালাক্টোজের সমন্বয়ে এটি গঠিত।
কালির অণুগুলোকে একসাথে ধরে রেখে চিকন ধারায় প্রবাহিত করার জন্য কালিতে গাম অ্যারাবিক যোগ করা হয়।

ফেরাস সালফেটঃ
সোদক ফেরাস সালফেট বা আয়রন (II) সালফেট যা সবুজ ভিট্রিওল নামেও পরিচিত পানি ও গ্যালিয়িক এসিডের সাথে মিশ্রিত করে ফাউন্টেন পেনে ব্যবহার করা হয়।

লঘূ হাইড্রোক্লোরিক এসিডঃ
কলমের কালির একটি সাধারণ উপাদান হল লঘূ হাইড্রোক্লোরিক এসিড। গাম অ্যারাবিক ও গ্যালিয়িক এসিডের সাথে হাইড্রোক্লোরিক এসিড মিশ্রিত করে  কালিতে ব্যবহার করা হয়।

ইথিলিন গ্লাইকল ও প্রপিলিন গ্লাইকলঃ
ডাই ও অন্যান্য উপাদানকে দ্রবীভূত করার জন্য দ্রাবক রুপে এরা ব্যবহৃত হয়।

ফেনলঃ
কালিকে সংরক্ষণ করার জন্য ও অনেক দিন টিকিয়ে রাখার জন্য ফেনল বা কার্বলিক এসিড আগে ব্যবহার করা হত।

হাইলাইটারঃ-

হাইলাইটার,চিনো নিশ্চয়...এরা কিভাবে কাজ করে মানে এদের রসায়নটাও জেনে নাও..

 আরো অনেক উপাদান আছে।  কলমভেদে উপাদানও বিভিন্ন রকম হয়। 

ENVIRO BATTERY(কিভাবে আলু কিংবা লেবু ব্যবহার করে লাইট জ্বালানো যায়?)

কিভাবে আলু কিংবা লেবু বব্যবহার করে লাইট জ্বালানো যায়!


এটি অদ্ভুত শুনালেও আসলে কিন্তু সত্যি এটা কাজ করে।তাহলে শুরু করা যাক কিভাবে এটি কাজ করে তা নিয়ে আলোচনা করব।


  একটি প্রাথমিক ভোলটেইক সেলে সালফিউরিক অ্যাসিডের তরল দ্রবণ ব্যবহার করা হয় যার মধ্যে কপার ও জিঙ্ক প্রতিটির একটি করে প্লেট ডুবানো হয়।  এর ফলে সালফিউরিক অয়্্যাসিডের দ্রবণে জিঙ্ক প্লেট থেকে কপার প্লেটে ইলেক্ট্রনের স্থানান্তরের কারণে সেলে বিদ্যুৎ তেরি হয়। আলু বা লেবু কপার আর জিঙ্কের স্ট্রিপের মধ্যবর্তী তরল সালফিউরিক অ্যাসিডের দ্রবণের মত কাজ করে। যা আলু থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
এটা ভালো করে পড়ে নাও...তারপর বানানো শুরু করো!

এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবেঃ-

১। ৮টি মাঝারি মাপের আলু কিংবা লেবু।
এগুলো দিয়েও কাজ চলতে পারে!পরিক্ষিত

২। কপারের ৮টি স্ট্রিপ, প্রত্যেকটি ৫সে:মি: X১সে:মি:।

৩।জিঙ্কের  ৮টি স্ট্রিপ, প্রত্যেকটি ৫সে:মি: X১সে:মি:।

৪। তামার তার।

৫। হোল্ডার সহ একটি ৫ ভোল্টের বাল্ব।
আলুর ক্ষেত্রে

লেবুর ক্ষেত্রে

৮টি আলু কিংবা লেবু নিন এবং প্রত্যেকটি আলু/লেবুর প্রান্তে জিঙ্কের একটি স্ট্রিপ ঢোকান।একটি টেবিলে আলু গুলো সাজিয়ে রাখুন যাতে একটি অন্যটির সংষ্পর্শে  না আসে। ঠিক একইভাবে কপারের স্ট্রিপ গুলো আলু/লেবুর অন্যপ্রান্তে লাগিয়ে নিন। জিঙ্কেরর স্ট্রিপের সাথে ততামার ততারটি লাগিয়ে নিন ঠিক একই ভাবে কপারের স্ট্রিপেরর সাথে তামার তার লাগিয়ে নিন। এখন কপারের স্ট্রিপ এবং জিঙ্কের স্ট্রিপের সাথে বাল্বটি যুক্ত করুন। দেখবেন বাল্বটি তৎক্ষনাৎ জ্বলে ওঠবে।

তবে বাল্বটি সীমিত সময়ের জন্য জ্বলবে।


AK-47(জেনে নাও সবকিছু!)

AK-47-----------

AK-47
Avtomat Kalashnikova সংক্ষেপে AK- ইংরেজীতে Avtomat শব্দের প্রতিশব্দ ‘অটোমেটিক’। Avtomat এর A এবং Kalashnikova এর K মিলিয়ে এ অস্ত্রের নাম হয়েছে AK। ১৯৪৭ সালে এই রাইফেলের ডিজাইন সম্পন্ন হয় বলে AK-এর সঙ্গে ‘৪৭’ যোগ করা হয়। 
এভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল পরিচিত রাইফেলের নামকরণ করা হয় AK-47।

এটি একটি গ্যাস অপারেটেড স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ।Mikhail Kalashnikov এর ডিজাইন করেছিলেন।আমেরিকান এম-১ এবং জার্মান এসআইজি-৪৪ এর ডিজাইনের সর্বোত্তম কৌশলের সমন্বয়ে একটি স্বয়ংক্রিয় রাইফেল তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
১৯৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি আবিষ্কৃত হয় এবং তখন থেকেই এটি বহুল জনপ্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র হিসাবে বিশ্বের প্রায় ৫০ টিরও বেশি দেশের সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

গাঠনিক বৈশিষ্ট্য-

-দৈর্ঘ্য : ৮৭৫মি.মি
-ওজন: ৩.৪৭ কেজি ( ম্যাগাজিন ছাড়া) 
-কার্টিজ :৭.৬২*৩৯ মি.মি
-ফায়ারিং রেট :৬০০রাউন্ড/মিনিট
-কার্যকর দুরত্ব :৩০০মি-৩৫০মি
-ম্যাগাজিন : ৩০বা ৪৫ রাউন্ডের বক্স ম্যাগাজিন অথবা ৭৫ বা ১০০ রাউন্ডের ড্রাম ম্যগাজিন।

কার্যপ্রণালী-

AK-47 একটি গ্যাস অপারেটেড স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র।
ফায়ার করার জন্য প্রথমে একটি ফুল লোডেড কার্টিজ অথবা বক্স ম্যাগজিন লোড করতে হয়। দুইভাবে ফায়ার করা যায়। একটি হল সেমি-অটোমেটিক এবং অন্যটি ফুল অটোমেটিক। লোড করার পর এর সিলেক্টরটিকে লেভেল অফে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। এভাবে এটি সেমি-অটোমেটিক মোডে ফায়ারের জন্য প্রস্তুত করা হয়। ট্রিগার টানলে যতক্ষণ না ট্রিগার ছেড়ে দেয়া হবে বা ম্যাগজিন শেষ হয়ে যাবে ততক্ষণ ফায়ারিং হতে থাকবে।অন্যদিকে ম্যাগজিন লোড করার পর এর সিলেক্টরটিকে লেভেল অফে নিয়ে সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে না দিয়ে মাঝামাঝি স্থানে রাখতে হবে । এভাবে ফুল অটোমেটিক মোডে ফায়ারের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

AK-47 এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর বুলেট এর মারাত্বক ভেদন ক্ষমতা।এটি ৭.৬২*৩৯ মি.মি বুলেটকে ৭১৫ মিটার/সেকেন্ডে ছুড়ে যা ৮ ইঞ্চি ওক কাঠের এবং ৫ ইঞ্চি কনন্ক্রিট দেয়াল ভেদ করতে পারে।তাছাড়া এসল্ট রাইফেল এর ব্যাপক জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হচ্ছে এটি ব্যবহারের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষন না নিয়েও সাধারণ একজন ব্যক্তি ২-৩ ঘন্টার মধ্যে ভালভাবে রপ্ত করার রেকর্ড রয়েছে।

Thursday, April 19, 2018

FILE EXTENSIONS ELABORATED!!!জেনে নিন কিছু প্রয়োজনীয় File Extensions এর পূর্ণরূপ!


আচ্ছা কখনো খেয়াল করেছ আমরা কত্ত ধরনের ফাইল এক্সটেনশন দেখি?খেয়াল করা হয়ে ওঠে না,তাই তো?No Problem,It's Okay!
এই পোস্টে ফাহিম আমাদেরকে প্রায় ৫০+ ফাইল এক্সটেনশন থেকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ফাইল এক্সটেনশন এর পূর্ণরুপ দেখাবে যা থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারবো কোনটির কাজ কী!
Ok So Let's Start....


জেনে নিন কিছু প্রয়োজনীয় File Extensions এর পূর্ণরূপ

এরকম আরো অনেক FILE EXTENSION আছে!

* PDF = Portable Document Format

* GIF = Graphic Interchangable Format

* AVI = Audio Video Interleave

* MP3 = MPEG layer lll

* BMP = Bitmap

* MPEG = Moving Picture Experts Group

* JPEG = Joint Photographic Expert Group

* SWF = Shock Wave Flash

* RTS = Real Time Streaming

* SIS = Symbian OS Installer File

* AMR = Adaptive Multi-Rate Codec

* JAD = Java Application Descriptor

* JAR = Java Archive

* 3GPP = 3rd Generation Partnership        Project

* MP4 = MPEG-4 video file

* AAC = Advanced Audio Coding

* WMV = Windows Media Video

* WMA = Windows Media Audio

* WAV = Waveform Audio

* PNG = Portable Network Graphics

* DOC = Document (Microsoft Corporation)

* IMY = iMelody Ringtone

* M3G = Mobile 3D Graphics

* M4A = MPEG-4 Audio File

* NTH = Nokia Theme(series 40)

* THM = Themes (SonyEricsson)

* MMF = Synthetic Music Mobile Application File

* NRT = Nokia Ringtone

* XMF = Extensible Music File

* WBMP = Wireless Bitmap Image

* DVX = DivX Video

* HTML = Hyper Text Markup Language

* WML = Wireless Markup Language

ব্যাটারী টিপস( For A Lonlasting Battery)

ব্যাটারী টিপস

আজ আপনাদেরকে বলবো কিভাবে আপনার মোবাইলের ব্যাটারী ইউজ করলে ব্যাটারী ভালো থাকবে এবং বেশি দিন চলবে । 

তাহলে দেখুন

Be The Best Smartphone User

১। নতুন ব্যাটারী কিনে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা চার্জ দিবেন ।7

২।খুব বেশী দরকার না হলেমোবাইলের বাইব্রেশন ব্যাবহারকরবেন না । খুব ছোট ধরনের একটা বাইব্রেশন অনেক চার্জ টেনে নেয়। তাই এটি ব্যবহার করবেন না ।

৩।তখনই আপনারমোবাইল চার্জ দিন । যখন আপনার ব্যাটারি ফুল খালি হয়ে যাবে ।

৪। সব সময় মোবাইল ব্যাটারি ফুলচার্জনা হওয়া পর্যন্ত চার্জ থেকে খুলবেন না।

৫। মোবাইল বন্ধ করে চার্জ দেন, তাই রাতে ঘুমানোর সময় চার্জে লাগান ।

৬। মোবাইল এর ব্রাইটনেস কমিয়েরাখুন ।

৭। অতিরিক্ত চার্জ সব সময় ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর । তাই ব্যাটারী ফুল দেখালে চার্জার খুলে ফেলুন ।

৮। সব সময় আপনার সেটের সাথের অরিজিনাল চার্জার ব্যাবহার করুন।

৯ । খুব বেশি দরকার না হলে, ফোন রিস্টার্ট করবেন না।

১০। এক চার্জে ফুল চার্জ করবেন ।

So that's it...Follow this 10 tips to get a long lasting battery!
Ok here's one more thing, I have a informative inforgraphics regarding this.Check this one too....

Thanks For Reading
An article by Fahim
Edited By MYIN


Monday, April 16, 2018

ANDROID SECRET CODES|এন্ড্রয়েডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোপন কোড!!!


এন্ড্রয়েডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোপন কোড!!!


আমরা সবাই জানি যে বর্তমানে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এমনকি শতকতা প্রায় ৯০% লোকই এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করছে  । প্রত্যেক এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীই প্রতিদিন নিত্য নতুন ট্রিকস খুঁজে বেড়ায়। তাই আজ হাজির হলাম এন্ড্রয়েড ফোনের কিছু গোপন কোড নিয়ে, যা সত্যিই আপনার অনেক কাজে আসতে পারে!

নোকিয়া মোবাইলে যেমন *#06# কোডে EMEI নম্বর এবং *#0000# কোডে ফোনসেটের উৎপাদনের তারিখ, সংস্করণ ইত্যাদি তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু এখন তো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের যুগ। তাই আপনার প্রিয় স্মার্টফোনটির বিস্তারিত তথ্য জানতে কিছু গোপন কোড জানাটা নিশ্চয়ই খুব কাজে লাগবে। জেনে নিন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের তেমন কিছু গোপন কোড!


  • *#06# – IMEI নম্বর
  • *2767*3855#– ফ্যাক্টরি রিসেট কোড (ফোনের সব তথ্য মুছে যাবে
  • *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য *#*#273282*255*
  • 663282*#*#* – সব মিডিয়া ফাইল ব্যাক আপ হবে!
  • *#*#197328640#*#* – সার্ভিস টেস্ট মোড
  • *#*#1111#*#* – FTA সফটওয়্যার ভার্সন
  • **#*#1234#*#* – PDA এবং firmware ভার্সন
  • *#*#232339#*#* – WirelessLAN টেস্ট কোড
  • **#*#0842#*#* – ব্যাক লাইট ও ভাইব্রেশন টেস্ট কোড
  • *#12580*369 # – সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার ইনফরমেশন
  • **#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট কোড
  • *#9900# – সিস্টেম ডাম্প মোড
  • **#9090# – ডায়াগনস্টিক কনফিগারেশন
  • *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন
  • **#872564# – ইউএসবি লগইন কন্ট্রোল
  • *#301279# – HSDPA/HSUPA কন্ট্রোল মেনু
  • **#7465625#– ফোন লক স্ট্যাটাস*#*#7780#*#* – ফ্যাক্টরি রিস্টোর সেটিং, গুগলঅ্যাকাউন্টসহ সব সিস্টেম ডাটা মুছে যাবে
  • *2767*3855#– ফ্যাক্টরি ফরম্যাট সেটিংসহ সব ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ডাটা মুছে যাবে এবং ফার্মওয়্যার রি-ইন্সটল হবে
  • **#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি ইনফরমেশন
  • *#*#273283*255*663282*#*#* – ফাইল কপি স্ক্রিন, সব ইমেজ, সাউন্ড, ভিডিও, ভয়েস মেমো ব্যাক আপ করা যাবে
  • **#*#197328640#*#* – সার্ভিস মোড কোড, বিভিন্ন টেস্ট ও সেটিং বদলানোর জন্য
  • *#*#7594#*#* – এই কোড এন্ড কল/ পাওয়ার বাটনকে সরাসরি পাওয়ার অফ বাটনে পরিণত করবে
  • **#*#8255#*#* – G Talk সার্ভিস মনিটর কোড
  • *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন, ক্যামেরা ফার্মওয়্যার, আপডেট অপশনটি ব্যবহার করবেন না- এতে আপনার ক্যামেরা ফাংশন বন্ধ হয়ে যাবে!
  • W-LAN, GPS and BluetoothTest Codes:*#*#232339#*#* OR *#*#526#*#* OR *#*#528#*#* 
  • 72365#*#*- জিপিএস টেস্ট
  • *#*#1575#*#* – আরেকটি জিপিএস টেস্ট কোড
  • **#*#232331#*#* – Bluetooth টেস্ট কোড
  • *#*#232337#*# – Bluetooth ডিভাইসই নফরমেশন
  • **#*#0588#*#* – প্রক্সিমিটি সেন্সর টেস্ট
  • *#*#0*#*#* – এলসিডি টেস্ট
  • *#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট
  • *#*#2663#*#* – টাচস্ক্রিন ভার্সন
  • *#*#0283#*#* – প্যাকেট লুপ ব্যাক
  • *#*#0673#*#* OR *#*#0289#*#* – মেলোডি টেস্ট
  • *#*#3264#*#* – র্যাম ভার্সন টেস্ট
  • *#*#1472365#*#*- জিপিএস টেস্ট
  • *#*#1575#*#* – আরেকটি জিপিএস টেস্ট কোড
  • **#*#232331#*#* – Bluetooth টেস্ট কোড
  • *#*#232337#*# – Bluetooth ডিভাইসই ইনফরমেশন

(B,Byte,KB,MB,GB,TB,PB,ZB,EB,YB,BB)-এগুলো আবার কী?

(B,Byte,KB,MB,GB,TB,PB,ZB,EB,YB,BB)-এগুলো আবার কী?

LET'S LEARN 

এই শর্তাদি(B-BB) সাধারণত কম্পিউটিং জগতে ব্যবহার করা হয় ডিস্ক স্পেস (Disk Space), বা ডেটা স্টোরেজ (Data storage) স্পেস এবং সিস্টেম মেমরি (System Memory) বর্ণনা করতে। উদাহরণস্বরূপ, মাত্রকয়েক বছর আগে আমরা মেগাবাইট (MB) শব্দটি হার্ডডিস্ক স্পেস বর্ণনা করতে ব্যবহার করতাম। আজ, গিগাবাইট (GB) সবচেয়ে সাধারণ একটি শব্দ, যা হার্ড ড্রাইভের আকার বর্ণনা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এবং অদূর ভবিষ্যতে, টেরাবাইট (TB) একটি সাধারণ শব্দ হবে। কিন্তু সেগুলো কি?

এই জায়গায় এসে বিভ্রান্তিকর অবস্থা সৃষ্টি হয়, কারণ তাদের প্রত্যেকের জন্য অালাদা করে তিনটা সঙ্গা (Difinition) রয়েছে।

"কম্পিউটিং আইবিএম অভিধান (IBM Dictionary of Computing)" অনুযায়ী, যখন ডিস্ক স্টোরেজ ক্ষমতা বর্ণনা করতে এগুলো ব্যবহার করা, দশমিক অবস্থায় এক মেগাবাইট সমান ১০০০০০০ (1 Followed by 6 Zeros) বাইট। কিন্তু মেগাবাইটকে যখন বাস্তব, ভার্চুয়াল স্টোরেজ (Virtual Storage) এবং চ্যানেল ভলিউম (Channel Volume) এর জন্য ব্যবহার করা হয় তখন ২ এর ২০ তম ঘাত (2 to the 20th Power) অর্থাৎ এক মেগাবাইট সমান ১০৪৮৫৭৬ (1048576) বাইট হয়।

"মাইক্রোসফ্ট প্রেস কম্পিউটার অভিধান (Microsoft Press Computer Dictionary)" অনুযায়ী, এক মেগাবাইট সমান ১০০০০০০ (1 Followed by 6 Zeros) বাইট অথবা ১০৪৮৫৭৬ (1048576) বাইট।

"দ্যা নিউ হ্যাকারর্স অভিধান (The New Hacker's Dictionary)" অনুযায়ী 'এরিক এস. রেইমন্ড (Eric S. Reymond)' এর মতে, এক মেগাবাইট সমান সবসমই ১০৪৮৫৭৬ (1048576) বাইট এই শর্তে যে বাইটকে স্বাভাবিকভাবেই দুই এর ক্ষমতার মধ্যে (Powers of 2) গণনা করা উচিত।

তো এদের মধ্যে কোন সঙ্গাটি অধিকতর মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য ?

যখন ডিস্ক স্পেস (Disk Space) বোঝাতে মেগাবাইটকে ব্যবহার করা হয়, হার্ড ড্রাইভ (Hard Drive) উৎপাদন কারিরা এক মেগাবাইট সমান ১০০০০০০ (1 Followed by 6 Zeros) এই শর্তটি ব্যবহার করেন। এর মানে হচ্ছে যখন অাপনি ২৫০ (গিগাবাইট) এর হার্ড ড্রাইভ (Hard Drive) কিনবেন আপনি সর্বমোট ২৫০০০০০০০০০০ (25 Followed by 10 Zeros) বাইট পাবেন। তখনই বিভ্রান্তিকর হয়ে উঠবে যখন আপনি তা উইন্ডোজ (Windows) এ দেখবেন। কারন উইন্ডোজ, এক মেগাবাইট সমান ১০৪৮৫৭৬ (1048576) বাইট এই শর্তটি ব্যবহার করে। তাই যখন আপনি উইন্ডোজ এ - ড্রাইভ প্রোপার্টিজ (Drive Properties) দেখবেন, ২৫০ (250) গিগাবাইট এর হার্ড ড্রাইভ (Hard Drive) কে দেখাবে ২৩২ (232) গিগাবাইট। একই ভাবে ৭৫০ (750) গিগাবাইট কে দেখাবে ৬৯৮ (৬৯৮) গিগাবাইট এবং এক টেরাবাইট কে দেখাবে ৯৩১ (931) গিগাবাইট। যার দরুণ এখনো প্রশ্নটি বিভ্রান্তিকর।

এ জন্য গবেষকগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ১০০০ (1K) এর পরিবর্তে ১০২৪ (1024) কেও ব্যবহার করা সম্বভ, যা সঙ্গাগুলোকে অনুসরণ করে। অর্থাৎ এ দুটো শর্তই সঠিক, যা নির্ভর করে আপনি কোন ধরণের স্টোরেজ (Storage) ব্যবহার করছেন তার উপর। প্রসেসর (Processor) অথবা ভার্চুয়াল (Virtual)।

প্রসেসর এর ক্ষেত্রে :


★এক বিট (Bit) = বাইনারি ডিজিট (Binary Digit)

★আট বিট (Bit) = এক বাইট (Byte)

★১০২৪ বাইট (B) = এক কিলোবাইট (Kilobyte)

★১০২৪ কিলোবাইট (KB) = এক মেগাবাইট (Megabyte)

★১০২৪ মেগাবাইট (MB) = এক গিগাবাইট (Gigabyte)

★১০২৪ গিগাবাইট (GB) = এক টেরাবাইট (Terabyte)

★১০২৪ টেরাবাইট (TB) = এক পেটাবাইট (Petabyte)

★১০২৪ পেটাবাইট (PB) = এক জেটাবাইট (Zettabyte)

★১০২৪ জেটাবাইট (ZB) = এক এক্সাবাইট (Exabyte)

★১০২৪ এক্সাবাইট (EB) = এক ইওটাবাইট (Yottabyte)

★১০২৪ ইওটাবাইট (YB) = এক ব্রোনটোবাইট (Brontobyte)

★১০২৪ ব্রোনটোবাইট (BB) = এক জিওপবাইট (Geopbyte)

ডিস্ক স্পেস এর ক্ষেত্রে :


★এক বিট (Bit) = বাইনারি ডিজিট (Binary Digit)

★আট বিট (Bit) = এক বাইট (Byte)

★১০০০ বাইট (B) = এক কিলোবাইট (Kilobyte)

★১০০০ কিলোবাইট (KB) = এক মেগাবাইট (Megabyte)

★১০০০ মেগাবাইট (MB) = এক গিগাবাইট (Gigabyte)

★১০০০ গিগাবাইট (GB) = এক টেরাবাইট (Terabyte)

★১০০০ টেরাবাইট (TB) = এক পেটাবাইট (Petabyte)

★১০০০ পেটাবাইট (PB) = এক জেটাবাইট (Zettabyte)

★১০০০ জেটাবাইট (ZB) = এক এক্সাবাইট (Exabyte)

★১০০০ এক্সাবাইট (EB) = এক ইওটাবাইট (Yottabyte)

★১০০০ ইওটাবাইট (YB) = এক ব্রোনটোবাইট (Brontobyte)

★১০০০ ব্রোনটোবাইট (BB) = এক জিওপবাইট (Geopbyte)

এটি "কম্পিউটিং আইবিএম অভিধান (IBM Dictionary of Computing)" এর উপর ভিত্তি করে তৈরী করা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি । আসুন এবার বিস্তারিত দেখে নিই-

বিট : বিট হচ্ছে কম্পিউটারের ব্যবহৃত সবচেয়ে ছোট একক। এটি দুই ধরণের তথ্য উপস্থাপন করতে সক্ষম। যেমন - 'হ্যা (Yes)' ও 'না (No)'। এটি হচ্ছে মূলত বাইনারি ডিজিট।

বাইট : এক বাইট সমান আট বিট। এটি ২৫৬ (256) ধরণের তথ্য উপস্থাপন করতে সক্ষম। যেমন - নাম্বার বা কতগুলো নাম্বারের সমষ্টি বা কতগুলো নাম্বার ও বর্ণের সমষ্টি। এক বাইট প্রায় একটি বর্ণের (Character) সমান। দশ বাইট একটি শব্দের (Word) সমান এবং একশত বাইট প্রায় একটি সাধারণ বাক্য (Sentence) এর সমান।

কিলোবাইট : এক কিলোবাইট সমান ১০০০ (1k) বাইট, বস্তুত ১০২৪ (1024) বাইট, যা নির্ভর করে কোন ধরণের সঙ্গা (Definition) ব্যবহৃত হচ্ছে তার উপর। এক কিলোবাইট প্রায় এই প্যারাগ্রাফ (Paragraph) টির সমান হতে পারে, যা আপনি এখন পড়তেছেন। একশত কিলোবাইট প্রায় পুরো পাতা (Page) টির সমান হতে পারে।

মেগাবাইট : এক মেগাবাইট সমান ১০০০ (1K) কিলোবাইট। পূর্বের দিনের কম্পিউটার যুগে মেগাবাইটকে অনেক বড় মাপের তথ্য হিসেবে ধরা হতো। কিন্তু বর্তমানে কম্পিউটারে ৫০০ (500) গিগাবাইট হার্ড ড্রাইভ (Hard Drive) অত্যন্ত সাধারণ ব্যাপার, মেগাবাইটকে এখন আর তেমন মূল্যায়ন করা হয় না। সেই পুরাতন ৩.৫ (3.5) ইঞ্চির (Inch) ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disk) এর ধারণ ক্ষমতা ১.৪৪ (1.44) মেগাবাইট বা একটি ছোট বই (E-Book) এর সমান। একশত মেগাবাইট এনসাইক্লোপিডিয়া (Encyclopedia) - র কিছু খন্ড ধারণে সক্ষম। ৬০০ (600) মেগাবাইট হচ্ছে একটি সিডি-রম (CD-ROM) এর ডাটা (Data) ধারণ ক্ষমতার সমান।

গিগাবাইট : এক গিগাবাইট সমান ১০০০ (1K) মেগাবাইট। বর্তমানে কনো ডিস্ক বা ড্রাইভ এর ধারণ ক্ষমতা বোঝাতে গিগাবাইটই বেশি ব্যবহৃত হয়। এক গিগাবাইট হচ্ছে সে পরিমান ডাটা (Data) যা প্রায় একটি CD-ROM এর ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ এবং প্রায় একটি ৩.৫ (3.5) ইঞ্চির ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disk) এর ধারণ ক্ষমতার হাজার গুণ। এক গিগাবাইট প্রায় দশ গজ পুর্ণ বুক_শেল্ফ (Book Shelf) এর সমস্ত তথ্য ধারণ করতে পারে। একশত গিগাবাইট প্রায় একটি একাডেমিক জার্নাল ( Academic Journals) এর সমগ্র লাইব্রেরী ফ্লোর (Library Floor) এর তথ্য ধারণ করতে পারে।

টেরাবাইট : এক টেরাবাইট সমান এক ট্রিলিয়ন (Trillion) বাইট অথবা ১০০০ (1K) গিগাবাইট। একদা এক টেরাবাইট হার্ড ড্রাইভ (Hard Drive) ছিল কল্পনা, কিন্তু বর্তমানে দুই টেরাবাইট হার্ড ড্রাইভ (Hard Drive) অনেক নতুন কম্পিউটারের স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা। জেনে রাখা ভালো যে, এক টেরাবাইট প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন (3.6 Million) ভালো মানের ছবি (Images) ধারণ করতে পারে অথবা প্রায় ৩০০০ (3K) ঘণ্টার উচ্চ মাত্রার (High Definition) ভিডিও (Video) ধারণ করতে পারে।এক টেরাবাইট ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া (Britannica Encyclopedia) এর ১০০০ (1K) কপি (Copy) ধারণ করতে পারে। দশ টেরাবাইট লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস (Library Of Congress) এর মুদ্রিত সংগ্রহ ধারণ করতে পারে। মূলত এক টেরাবাইট সমান ১০০০০০০০০০০০০ (1 Followed by 12 Zeros) বাইট।

পেটাবাইট : এক পেটাবাইট সমান ১০০০ (1K) টেরাবাইট অথবা এক মিলিয়ন (Million) গিগাবাইট। এটি দেখানো কষ্টসাধ্য যে, এক পেটাবাইট কি পরিমান ডেটা (Data) ধারণ করতে পারে। এক পেটাবাইট প্রায় প্রায় বিশ মিলিয়ন (Million) চার_দরজা সমৃদ্ধ টেক্সট (Text) পূর্ণ ফাইলিং আলমিরা (Filing Cabinet) ধারণে সক্ষম। এটি প্রায় পাঁচশত বিলিয়ন (500 Billion) সাধারণ মুদ্রিত পৃষ্টা ধারণে সক্ষম। এই পরিমান ডাটা (Data) সঞ্চয় করতে প্রায় পাঁচশত মিলিয়ন (500 Million) ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disk) এর প্রয়োজন হবে।মূলত এক পেটাবাইট সমান ১০০০০০০০০০০০০০০০ (1 Followd by 15 Zeros) বাইট। যদি এক পেটাবাইট এর একটি গান থাকতো তবে তা সম্পূর্ণ বাজতে ২০০০ (2k) বছর লেগে যাবে।

এক্সাবাইট : এক এক্সাবাইট সমান ১০০০ (1K) পেটাবাইট। অন্যভাবে এক এক্সাবাইট সমান প্রায় এক কুইন্টিলিয়ন (Quintillion) বাইট অথবা এক বিলিয়ন (Billion) গিগাবাইট। যেখানে এক কুইন্টিলিয়ন (Quintillion) সমান ১ এবং ১৮ টা শূন্য (Zeros)। এটা বলা হয়েছে যে, পাঁচ এক্সাবাইট (5 Exabyte) মানবজাতির দ্বার উচ্চারিত সকল শব্দের সমান। ২০০৯ সালের হিসেব অনুযায়ী সমূর্ণ World Wide Web (WWW) এর সমূর্ণ অায়তন ৫০০ (500) এক্সাবাইট।

জেটাবাইট : এক জেটাবাইট সমান ১০০০ (1K) এক্সাবাইট। অন্যভাবে এক জেটাবাইট সমান এক মিলিয়ন (Million) পেটাবাইট অথবা এক বিলিয়ন (Billion) টেরাবাইট অথবা এক ট্রিলিয়ন (Trillion) গিগাবাইট। এক জেটাবাইট ১৫২ মিলিয়ন (152 Million) বছর উচ্চ মাত্রার (High-Difinitio

n) ভিডিও (Video) এর সমতুল্য। মূলত এক জেটাবাইট সমান ১০০০০০০০০০০০০০০

০০০০০০০ (1 Followed by 21 Zeros) বাইট।

ইওটাবাইট : এক ইওটাবাইট সমান ১০০০ (1K) জেটাবাইট। অন্যভাবে এক ইওটাবাইট সমান এক ট্রিলিয়ন (Trillion) টেরাবাইট। ইন্টারনেট হতে একটি ইওটাবাইট ফাইল (File) ডাউনলোড করতে প্রায় ১১ ট্রিলিয়ন (11 Trillion) বছর লেগে যাবে, তাও 4G গতিতে। ২০১৫ সালের হিসেব অনুযায়ী সমূর্ণ World Wide Web (www) এর আয়তন প্রায় এক ইওটাবাইট। মূলত এক ইওটাবাইট সমান ১০০০০০০০০০০০০০০

০০০০০০০০০০০ (1 Followed By 24 Zeros) বাইট।

ব্রোনটোবাইট : এক ব্রোনটোবাইট সমান ১০০০ (1K) ইওটাবাইট। অন্যভাবে এক ব্রোনটোবাইট সমান এক মিলিয়ন (Million) জেটাবাইট অথবা এক বিলিয়ন (Billion) এক্সাবাইট অথবা এক ট্রিলিয়ন (Trillion) পেটাবাইট। এর সম্পর্কে এখনো তেমন কোনো তথ্য অাবিষ্কৃত হয়নি। মুলত এক ব্রোনটোবাইট সমান ১০০০০০০০০০০০০০০

০০০০০০০০০০০০০০ (1 Followed by 27 Zeros) বাইট।

জিওপবাইট : এক জিওপবাইট সমান ১০০০ (1K) ব্রোনটোবাইট। অন্যভাবে এক জিওপবাইট সমান এক মিলিয়ন (Million) ইওটাবাইট অথবা এক বিলিয়ন (Billion) জেটাবাইট অথবা এক ট্রিলিয়ন (Trillion) এক্সাবাইট। এটি হচ্ছে তথ্য সংগ্রহের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে বড় সম্বভ পরিমাপ। তবে এই পরিমাপের কনো হার্ড ড্রাইভ (Hard Drive) এই শতাব্দীতে তৈরী হবে কিনা সন্ধেহ! বলা হয় যে, যদি আপনার কম্পিউটারে জিওপবাইট হার্ড ড্রাইভ থাকে তবে আপনি হচ্ছেন কম্পিউটার বিশ্বে ঈশ্বর (God)। মূলত এক জিওপবাইট সমান ১০০০০০০০০০০০০০০

০০০০০০০০০০০০০০০০০ (1 Followed by 31 Zeros) বাইট। অন্যভাবে ১৫২৬৭৬৫০৪৬০০২২৮

৩২২৯৪০১২৪৯৬৭০৩১২০৫৩৭৬ (15267 6504600 2283229 4012496 7031205 376) বাইট।