Showing posts with label HISTORY. Show all posts
Showing posts with label HISTORY. Show all posts

Sunday, July 28, 2019

নিকোলাস কোপার্নিকাস-আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক


আমার প্রিয় বিজ্ঞানী-নিকোলাস কোপার্নিকাস


আমার প্রিয় বিজ্ঞানী আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক নিকোলাস কোপার্নিকাস,আইন্সটাইন যাকে বলেছেন "আধুনিক বৈজ্ঞানিক যুগের পথিকৃৎ" কারণ তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই সম্ভব হয়েছে কেপলার,গ্যালিলিও,নিউটনের যুগান্তকারী আবিষ্কারসমূহ যা জ্যোতির্বিজ্ঞানের মধ্যযুগীয় ভ্রান্ত ধারণা মুছে দিয়ে জ্ঞানবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায় যা Copernican Revolution নামে বিজ্ঞানের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
কোপার্নিকান এর অবদানেই আমরা পেয়ে যায় আমাদের সৌরজগতের আসল পরিচয় Heliocentric Model,পৃথিবীর ও অন্যান্য গ্রহ-উপগেহের গতিপথের ধরন,পৃথিবী থেকে অন্যান্য গ্রহসমূহের দূরত্ব,পৃথিবীর অক্ষীয় ঘূর্ণন ইত্যাদি।


Heliocentric(সৌরকেন্দ্রীক) vs Geocentric(ভূকেন্দ্রীক)
তিনিই এই সত্য বের করতে পেরেছিলেন যে,পৃথিবী নয় বরং সূর্যই কেন্দ্রে এবং অন্যান্য সব গ্রহ একে কেন্দ্র করে ঘুরে।এই সত্য তিনি প্রথম তার বই "Commentariolus" এ ১৫১৪ সালে প্রকাশ করেন।কোপার্নিকাস এর আগে  যদিও আরিস্টাকাস 'সৌরমডেল' এর ধারণা দিয়েছিলেন তবে তার চেয়ে কোপার্নিকাস এর হিসেবনিকেশ সুক্ষ্ম ও নির্ভুল ছিলো।অনেক উপহাসের স্বীকার এবং হুমকির স্বীকার হয়ে তিনি তার যুগান্তকারী দ্বিতীয় বইটি "De revolutionibus orbium coelestium" প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছিলেন কারণ সৌরকেন্দ্রিক মডেল বাইবেল বিরোধী!১৫৪৩ সালে জানের ভয় নিয়ে এক প্রকাশক বইটি প্রকাশ করেন উপরে এটা লিখে দিয়ে,
"বইটি সম্পূর্ণ সত্য নয় কেবল ব্যক্তিগত অনুমানের উপর লিখিত।"
অনেক কিছু পরিবর্তন করতে হয়েছিল কারণ এ সময় বাইবেলের বিরুদ্ধে যাওয়া মানে নিশ্চিত মৃত্যু।পরে অবশ্য মানুষ তার বইয়ের আসল পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাই।বইটি ছাপা হয়ে যখন তার হাতে আসে তখন তিনি মৃত্যুশয্যায়,পড়তে পারেননি কিছুক্ষণ নড়াচড়া করেই এর কয়েক ঘণ্টা পর মারা যান ৭০ বছর বয়সের এই মহান বিজ্ঞানী!


তার লেখা ৪০ পৃষ্ঠার অপর একটি বই "Sketch of Hypothesis" কে তার প্রদত্ত মহাবিশ্বের মডেলের সারকথা হিসেবে উল্লেখ করা হয়,এটাও ১৫১৪ সালে প্রকাশিত হয়।তবে তার মৃত্যুর পর পর প্রায় ৩০০ বছরের জন্য রোমান শাসক তার বইকে নিষিদ্ধ করে রেখেছিলো।
কোপারনিকাস এর আবিষ্কার তথা পর্যবেক্ষণ মহাবিশ্বের প্রতি আমাদের ধারণা পালটে দেয়।তবে তার একটি ধারণা ভুল ছিলো সেটা হলো, গ্রহ-উপগ্রহ সমূহ সম্পূর্ণ বৃত্তীয় পথে আবর্তন করে যদিও কেপলার পরবর্তীতে এটি শুধরে দেন যে,বৃত্তীয় নয় বরং উপবৃত্তাকার কক্ষপথেই জ্যোতিষ্কসমূহের আবর্তন সম্পন্ন হয়।
তবে তার প্রদত্ত Cosmological Principal বিজ্ঞানের এক অনন্য প্রাপ্তি যেটি 'Genuine Copernican Cosmological Principle' নামে পরিচিত;যেখানে বলা হয়েছে-"যেকোন গ্রহ থেকেই দেখা হোক না কেন মহাবিশ্বকে সবদিকথেকে মোটামুটি একই দেখাবে যেটিকে আরেকটু বুঝিয়ে বললে দ্বারাই মহাবিশ্ব দিকনিরপেক্ষ বা সবদিক থেকে একই।"

অর্থনীতিতে কোপার্নিকাসের অবদান এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।যথাক্রমে ১৫১৭ ও ১৫১৯ সালে তিনি অর্থনীতির একটি মূল ধারণা "Quantity Theory Of Money" এবং "Gresham’s Law" এর ধারণা দেন।

বিচিত্র বিষয়ে তার পাণ্ডিত্য ছিলো।তিনি অধ্যয়ন করেছেন মূলত ধর্মশাস্ত্র,গণিতশাস্ত্র,জ্যোতির্বিদ্যা এবং চিকিৎসাশাস্ত্র।তিনি চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং কিছুদিন অধ্যাপনাও করেছেন কিন্তু তৎকালীন ভূকেন্দ্রীক মডেল তার ভুল মনে হচ্ছিলো তাই শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়ে নিজ গ্রামে এসে নিরলস পর্যবেক্ষণ এবং গবেষণার পর তা লিপিবদ্ধ করেন যা এক নতুন যুগ সৃষ্টি করে।


'কোপার্নিক' শব্দের অর্থ বিনয়ী,তিনি সত্তিই খুব বিনয়ী ছিলেন।জ্যোতির্বিদ ছাড়াও তিনি ছিলেন দক্ষগণিতজ্ঞ,শিক্ষক,সরকারের উপদেষ্টা,অর্থনীতিবিদ,চিকিৎসক এবং সমাজকর্মী।তার জন্ম ও মৃত্যু পোল্যান্ড যথাক্রমে ১৪৭৩ ও ১৫৪৩ সালে।অবিবাহিত এই মহান বিজ্ঞানীর  কোন স্ত্রী পুত্র ছিলো না।
তার একটি বিখ্যাত উক্তি হলো-
"To know that we know what we know, and to know that we do not know what we do not know,that is true knowledge."
(Nicolaus Copernicus)

Friday, June 1, 2018

চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্ধকার ইতিহাস!

আমাদের চারপাশের ঝাঁ চকচকে সভ্যতার পেছনেই রয়েছে নিকষ অন্ধকার। এবং আশ্চর্যজনকভাবে এই আলোকোজ্জ্বল সভ্যতা বিনির্মাণে সেই অন্ধকারটুকুর অবদানও কম নয় মোটেই।তাই আজ জানবো চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে রচিত হওয়া অন্ধকার ইতিহাস এর গল্প!


অক্টোবর ১০, ১৮২৪। লন্ডনের হাসপাতালের বিছানায় নিথর হয়ে শুয়ে থাকা ভদ্রলোক টের পেলেন কান্নার আওয়াজ; সেইসাথে কানে গেল নার্সের অস্পষ্ট উচ্চারণ, "তিনি আর নেই।" একটু পরেই তিনি অনুভব করলেন কবরে নামানো হচ্ছে তার কফিন, মাটি দেয়া হচ্ছে তার ওপর। তিনি প্রাণপণে চেষ্টা করলেন কিছু করার। কিন্তু না, তার দুর্বল শরীর আর এঁটে থাকা কফিন কোনো সুযোগই দিল না তাকে। এবার তিনি ভাবলেন, হয়তো সত্যিই মরে গেছেন।

ঠিক একই সময়ে রাতের অন্ধকারে শবযাত্রা অনুসরণ করছিল দুজন লোক, কালো কাপড়ে সর্বাঙ্গ মোড়ানো। অন্তেষ্টিক্রিয়া শেষে জায়গাটা ফাঁকা হতেই কাজে নেমে পড়লো তারা। ১৫ মিনিটের মধ্যেই কফিন থেকে বের করে আনলো দেহটা।

ব্যবচ্ছেদ কক্ষে সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে গতরাতে আনা নতুন দেহটা রাখা হলো টেবিলে। চারপাশে উৎসুক চিকিৎসা বিজ্ঞানের নবীন শিক্ষার্থীরা। ডেমনস্ট্রেটরের ছুরিটা শবের চামড়া ভেদ করে পাঁজরে আঘাত করতেই বিপত্তিটা ঘটলো। মৃতের সারা শরীরে বিদ্যুতের মতো কম্পন খেলে গেল, সেই সঙ্গে ভয়ঙ্কর চিৎকার। ব্যাপার দেখে ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে গেল ব্যবচ্ছেদ কক্ষের শিক্ষার্থীরা।

না, এটা কোনো হরর মুভির কাহিনী নয়। ঘটনাটা সম্ভবত সত্যিই ঘটেছিল লন্ডনে, ১৮২৪ সালে এবং বর্ণনাটা সেই জীবন্ত লাশ হয়ে যাওয়া লোকটার জবানীতেই পাওয়া যায়। আর যেহেতু মৃত্যু নিশ্চিত হবার কোনো আধুনিক পদ্ধতি তখন ছিল না, তাই এমন ভুল মাঝে মধ্যেই ঘটতো। তবে আমার আজকের লেখার বিষয়বস্তু সেটা না, বরং আজকের বিষয় সেই দুজন লোক, যারা শবযাত্রার পিছু নিয়েছিল এবং মৃতদেহটি বিক্রি করেছিল কোনো এক মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগে।

অষ্টাদশ এবং ঊনবিংশ শতাব্দতে লন্ডন এবং তার আশেপাশে বেসরকারি মেডিকেল স্কুলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এসব স্কুলের জনপ্রিয়তার কারণ ছিল মূলত সত্যিকার মানবদেহ ব্যবচ্ছেদের সুযোগ। কিন্তু সমস্যা হলো সে সময় সবার মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদের অনুমতি ছিল না। কেবল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের দেহই সরকারি মেডিকেল স্কুলগুলোতে দেয়া হতো। সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত এনাটমিস্ট ওয়ার্নার রলফিংক একাজে এত প্রবাদতুল্য ছিলেন, যে অপরাধীরা 'rolfincked' হবার হাত থেকে বাঁচতে চাইতো। সে যাই হোক, মৃতদেহের চাহিদা বাড়লেও সে সময় মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছিল। ফলে বাধ্য হয়েই এনাটমির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা বেছে নেন এক অবৈধ পথ। সেই সঙ্গে রচিত হয় অন্ধকার জগতের নতুন অধ্যায়, শব বাণিজ্য।

শবচোরদের লাশ চুরির পদ্ধতি ছিল মূলত দুরকম। সরাসরি কবর খুঁড়ে লাশ বের করা। অথবা কবর থেকে ১৫/২০ ফুট দূরে গর্ত করে সেখান থেকে সুরঙ্গ তৈরি করে লাশ বের করা। এর একটা সুবিধা ছিল খুব ভালো করে খেয়াল না করলে কারো তেমন সন্দেহ হতো না। তবে তাদের পরিচয় সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায়না। তারা বিভিন্নজনের কাছে বিভিন্ন পরিচয়ে ব্যবসা করতো। তাদের মধ্যে জোসেফ ন্যাপল নামক একজন নিয়মিত ডায়েরি রাখত। তার ডায়েরির ২টি পৃষ্ঠা এরকম--

13th January 1812
Took 2 of the above to Mr Brookes & 1 large & 1 small to Mr Bell. Foetus to Mr Carpue. Small to Mr Framton. Large small to Mr Cline. Met at 5, the Party went to Newington. 2 adults. Took them to St Thomas’s.
26th August 1812
Separated to look out, the party met at night…Willson, M. & F. Bartholm, me, Jack and Hollis went to Isl [ingto]n. Could not succeed, the dogs flew at us, afterwards went to [St] Pancr [a]s, found a watch planted, came home.

সেসময় লাশ চুরির ঘটনা এতটাই নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে চুরির হাত থেকে প্রিয়জনের দেহ বাঁচাতে নানারকম ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়। কবরস্থানগুলোতে পাহারা বসানো হয়, কাঠের কফিনের বদলে লোহার কফিন ব্যবহার শুরু হয়, কবরের ওপর লোহার কাঠামো বসানো হয়। অনেক গোরস্থানে 'মর্ট হাউস' নামে বিশেষ জায়গা ছিল, যেখানে মৃতদেহগুলো পঁচে যাবার আগ পর্যন্ত পাহারা দিয়ে রাখা হতো। কিছু ব্যবস্থা ছিল আরো ভয়ঙ্কর। কবরস্থানে তৈরি করা হতো 'বুবি ট্র্যাপ', অনেকটা ল্যান্ড মাইনের মতো; আর কিছু কিছু কফিনে থাকতো স্প্রিং লোডেড গান, কফিন খুললেই ছুটে যেত গুলি।
না, এবার আর চুরি নয়। খুন। এই অন্ধকার ইতিহাসের ভয়াবহতম ঘটনাটি ঘটেছিল ১৮২৭ সালে, উইলিয়াম বার্ক ও উইলিয়াম হেয়ারের হাতে।বার্ক স্কটল্যান্ডে ঝুট কাপড়ের ব্যবসা করতো আর হেয়ার তার বাড়ি ভাড়া দিত। হেয়ারের একজন ভাড়াটে হঠাৎ মারা গেলে তারা দুই বন্ধু তার দেহ বিক্রি করে ভাড়ার টাকা উসুল করার পরিকল্পনা করে। দেহটা তারা ৭ পাউন্ডের বিনিময়ে বিক্রি করেছিল এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জন ডা. রবার্ট নক্সের কাছে। ডা. নক্স তাদের বলেছিলেন পরবর্তীতে আরো দেহের খোঁজ পেলে তাঁর সাথে যোগাযোগ করতে।

অফারটা লুফে নিয়েছিল তারা। আরো একজন ভাড়াটে মহিলা কলেরায় আক্রান্ত হলে তারা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং তার দেহ ডা. নক্সের কাছে বিক্রি করে ১০ পাউন্ডে, যেহেতু দেহটি অক্ষত ছিল। ১৮২৮ সালে গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা দুজন মিলে মোট ১৬ টি দেহ ডা. নক্সকে সরবরাহ করেছিল। আরো একটা দেহ লুকানো অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাদের বাড়িতে। তারা মূলত তাদের ভাড়াটেদের এবং কিছু বাইরের লোককে ঘুমন্ত অবস্থায় বা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করতো, পদ্ধতিটার নামই পরবর্তীতে হয়ে যায় 'Burking'। এলাকায় রীতিমতো আতংক তৈরি হয়েছিল তাদের কর্মকাণ্ডে।

হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এডিনবারা বিশ্ববিদ্যালয় ও ডা. নক্সের সম্পৃক্ততা সামনে চলে আসে। পরে অবশ্য তাঁকে অভিযোগ থেকে খালাস দেয়া হয়। উইলিয়াম বার্ককে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় আর হেয়ার কিছুদিন পর জেল থেকে পালিয়ে বেঁচে যায়। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বার্কের দেহটি এডিনবারা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেয়া হয় ব্যবচ্ছেদের জন্যে। আর ব্যবচ্ছেদটি হয়েছিল পাবলিক ডিসেকশন থিয়েটারে, জনগণের উপস্থিতিতে। তার রক্ত ব্যবহার করে একটা চিঠি লেখা হয়, তার কঙ্কাল প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয় আর তার চামড়া দিয়ে একটা বই বাঁধাই করা হয় আর একটা ওয়ালেট তৈরি করা হয়। বার্কের ডেথমাস্ক ও সেই ওয়ালেট এডিনবরার Surgeons’ Hall Museum এ সংরক্ষিত আছে।

১৮৩১ সালে 'লন্ডন বার্কার' নামে আরো একটা গ্রুপ ধরা পড়ে, যারাও একই রকম কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল। সমসাময়িক কালে আরো সাতটি চক্র ধরা পড়ে, যারা লাশ চুরির সাথে জড়িত ছিল। ধারণা করা হয় প্রায় দুই শতাধিক চক্র একাজে সম্পৃক্ত ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে থাকে, যেহেতু লাশ চুরির শাস্তি ছিল খুব সামান্য কিছু জরিমানা বা ক'মাসের জেল। জনগণ ফুঁসে উঠতে থাকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। অবশেষে ১৮৩২ সালে পার্লামেন্টে 'Anatomy act' পাস হয়, যেখানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের পাশাপাশি বেওয়ারিশ লাশ ও স্বেচ্ছায় দানকৃত দেহ ব্যবচ্ছেদের অনুমতি দেয়া হয়। ফলে আগের তুলনায় বৈধ মৃতদেহের সরবরাহ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই সাথে কমে যায় শবচোরদের দৌরাত্ম্য।

শববাণিজ্য প্রাথমিকভাবে যুক্তরাজ্য ও স্কটল্যান্ডে শুরু হলেও তা ছড়িয়ে পড়েছিল বিভিন্ন দেশে। 

মৃত্যুর ফেরিওয়ালা: আমেরিকা থেকে বাংলাদেশ
শবদেহ ব্যবচ্ছেদ আমেরিকায় আইনত ও সামাজিকভাবে নিষিদ্ধ ছিল। এনিয়ে ডাক্তারদের বিভিন্ন সময় জনগণ ও সরকারের রোষানলে পড়তে হয়। ১৭৬২ সালে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম শিপেন ব্যবচ্ছেদের ওপর একটি লেকচার দিয়েছিলেন। পরে ১৭৬৫ সালে একটা গীর্জার কবরস্থান থেকে লাশ চুরি গেলে তাঁকে দায়ী করে উত্তেজিত জনতা তাঁর বাড়িতে আক্রমণ করে। নিউইয়র্কের সিটি হাসপাতালের ডিসেকশন রুমের পাশে খেলার সময় একদল ছেলে একজন মহিলার মৃতদেহ দেখতে পায়, যেটা ছিল তাদের এক বন্ধুর মায়ের, যিনি সম্প্রতি মারা গিয়েছেন। ঘটনাটি ছেলেটির বাবাকে জানানো হলে সে দলবলসহ হাসপাতালে হামলা করে, যেটি Doctors' Riot নামে পরিচিত। জনগণকে শান্ত করার জন্য মৃতদেহের খোঁজে ডাক্তার, প্রফেসর ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করা হয় ও অনেককে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়। কিছুদিন পর জনগণ সেখানেও হামলা করে। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ডাক্তারদের সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিলে হামলাকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয় এবং এতে ৩ জন হামলাকারী নিহত হয়। 
.
১৭৭০ সালে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক জন ওয়ারেন "Spunkers" নামে একটি গুপ্ত এনাটমি সোসাইটি তৈরি করেন, যারা বিভিন্ন জায়গা থেকে মৃতদেহ সংগ্রহ করে ব্যবচ্ছেদ করতেন। ১৮২৪ সালে ডা. চার্লস নলটন অবৈধ ব্যবচ্ছেদের দায়ে গ্রেফতার হন। দু'মাস পর ছাড়া পেয়ে তিনি জনগণের মধ্যে মরণোত্তর দেহদানের বিষয়ে কুসংস্কার দূর করার জন্য ডাক্তারদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
.
লাশ চুরির বিষয়ে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ তখনো অব্যাহত ছিল। ১৭৬৫ থেকে ১৮৮৪ পর্যন্ত ডাক্তার ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওপর প্রায় ২৫টি হামলার ঘটনা ঘটে। হামলা থেকে বাদ যায়নি মেরিল্যান্ড কিংবা ইয়েলের মতো নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও। সবকিছু মিলিয়ে একটা আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছিল। পরে যুক্তরাষ্ট্রে 'Anatomy act' বা 'Bone bill' পাস হয়।
.
ইতিহাসের শেষ অংশটা আমাদের নিজের। বিগত প্রায় ২০০ বছর ধরে বিশ্বের শব ও কঙ্কাল বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আছে কলকাতা, যদিও ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার মানবকঙ্কাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। ১৮৫০ এর দশকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ বছরে প্রায় ৯০০ কঙ্কাল প্রক্রিয়াজাত করতো বিভিন্ন দেশে রপ্তানির জন্য। ১৯৮০'র দশকে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই বছরে প্রায় ১ মিলিয়ন ডলারের শববাণিজ্য হত। ২০০৭ সালে পুলিশ বর্ধমান থেকে শতাধিক কঙ্কালসহ একটি চক্রকে আটক করে, যারা জেলার বিভিন্ন মুসলিম কবরস্থান থেকে লাশ চুরি করতো। ২০০৯ সালে বিহারে কামাল শাহ নামে আরো একজন গ্রেপ্তার হয় ১০টি মাথার খুলি ও ৬৭টি পায়ের হাড়সহ। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তারা কঙ্কালগুলো মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি পাচার করত ভারত, নেপাল ও ভুটানের বৌদ্ধ মঠগুলোতে, যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে খুলিগুলো পানপাত্র আর ফিমারগুলো 'Blow-horn' হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ভারতীয় তান্ত্রিক সমাজেও রয়েছে মানবকঙ্কালের ব্যাপক চাহিদা। 
.
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আসাম, বিহার, ঝাড়খণ্ড ও উত্তরপ্রদেশের অনেকগুলো চক্র কঙ্কাল চোরাচালানের সাথে জড়িত। ধারণা করা হয় প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কঙ্কাল চীন, নেপাল, বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার হয়। ভারতে কঙ্কালগুলো গড়ে প্রায় ৩০০ ডলারে বিক্রি হয়, যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে তার দাম হয় প্রায় ৭০০ থেকে ১৫০০ ডলার। অবশ্য দাম নিয়ে মতভেদ রয়েছে। গতবছর এপ্রিলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গ থেকে ১৫টি কঙ্কালসহ দুজন গ্রেপ্তার হবার পর একটি সংবাদমাধ্যম রাজশাহীর একজন পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে জানায় ভারত থেকে পাচার হয়ে আসা অস্থিগুলো মাত্র ৪/৫ হাজার টাকায় সংগ্রহ করা হয়।
.
বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ মেডিকেল শিক্ষার্থী পুরনো কঙ্কাল ব্যবহার করেন। অল্প কিছু শিক্ষার্থী কৃত্রিম কঙ্কাল ব্যবহার করেন। আর বাকিরা বিভিন্ন মেডিকেল স্টোর, মেডিকেল কলেজের ডোম বা অন্যান্য চোরাচালান চক্রের কাছ থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করেন। প্রতিবছর ২০০-৩০০ কঙ্কাল দেশের বাইরেও পাচার হয়। সে হিসেবে দেশে মোট কঙ্কালের চাহিদা বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার, যার বেশিরভাগই আসে ভারত থেকে পাচার হয়ে। বাকিগুলো বিভিন্ন কবর থেকে বা মেডিকেল কলেজ মর্গের বেওয়ারিশ লাশ থেকে সংগ্রহ করা হয়।

বাংলাদেশের আইন অনু্যায়ী মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা মৃতদেহের ব্যবসা নিষিদ্ধ। কেবল স্বেচ্ছায় দানকৃত দেহই শিক্ষা বা গবেষণাক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। সে হিসেবে আমাদের প্রায় সবার কঙ্কালই অবৈধ। :-) এবিষয়ে তাই একটি গ্রহণযোগ্য নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। 

Wednesday, May 9, 2018

আইনস্টাইন এর সংক্ষিপ্ত জীবনী!(Albert Einstein)

আলবার্ট আইনস্টাইন (Albert Einstein, ১৮৭৯-১৯৫৫ খ্রিঃ) (সংক্ষিপ্ত)

এটাই আইনস্টাইন!

১৮৭৯ সালের ১৪ই মার্চ জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন অমিত প্রতিভাধর জ্ঞান তাপস আলবার্ট আইনস্টাইন। জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করলেও তিনি জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও আমেরিকার নাগরিক ছিলেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সে ১৯০৫ সালে তিনি বিজ্ঞান জগতের শ্রেষ্ঠ উপহার আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব প্রদান করেন। এই তত্ত্ব আমাদের মৌলিক চিন্তা চেতনা বা বিশ্বাসের বেশ কিছু পরিবর্তন সাধন করেছে।

তাঁর মতে স্থান, কাল ও জড় পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক। আপেক্ষিক গতির সাথে এরা পরিবর্তিত হয়। ভরের আপেক্ষিকতা এবং বিখ্যাত ভর শক্তি সম্পর্ক E=mc^2 এ তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের বিশাল সৌধ। সাধিত হয়েছে পারমানবিক ও নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞানের ব্যাপক উন্নতি। সম্প্রসারণশীর মহাবিশ্ব এবং এর সৃষ্টির রহস্য বিগ ব্যাং তত্ত্বের বীজ আপেক্ষিক তত্ত্বের মধ্যেই লুকায়িত ছিল।
 আইনস্টাইন ব্রাউনিয় গতির ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদান করেন এবং ১৯১৫ সালে আপেক্ষিকতার মার্বিক তত্ত্ব প্রদান করেন। তিনি ১৯২১ সালে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যার জন্য পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
গবেষনার ক্ষেত্রে আইনস্টাইন পর্যবেক্ষণ ও যুক্তির উপর নির্ভর করতেন এবং চিন্তা শক্তি ও গাণিতিক বিশ্লেষণের ওপর বেশি জোর দিতেন। ১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল নিউ জার্সিতে তিনি মারা জান।

Sunday, May 6, 2018

Happy Earth Day(ধরিত্রী দিবস)!

Happy Earth Day

ধরিত্রী দিবস (ইংরেজি ভাষায়: Earth Day)
As I walk with Beauty
As I walk, as I walk,
The universe is walking with me,
In beauty it walks before me,
In beauty it walks behind me,
In beauty it walks below me,
In beauty it walks above me,
Beauty is on every side.

একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান, যা ২২ এপ্রিল পালিত হয়, পরিবেশ রক্ষার জন্য সমর্থন প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে।

সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে দিবসটি পালিত হয়, এবং বর্তমানে আর্থ ডে নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপী সমন্বিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়, এবং ১৯৩টির অধিক দেশে প্রতি বছর পালন করা হয়ে থাকে।

১৯৭০ সনের এই দিনে মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন। পৃথিবীর অনেক দেশেই সরকারিভাবে এই পালন করা হয়। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলিতে বসন্তকালে আর দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলিতে শরতে ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।

এইটি ১৯৯০ সালে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হয় এবং ১৪১টি জাতি সমবেতভাবে আয়োজন করা হয়েছিল।

এবার একটু সচেতন হও...




BIGBANG-বিগব্যাং(সৃষ্টির আদি ইতিহাস)

মহাবিশ্বের সৃষ্টি নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন সেই সৃষ্টির শুরু হতে। সমস্যা সেই এক্‌টাই যে, ডিম আগে নাকি মুরগি আগে, আর এর উত্তর পাবার আশায় মানুষ আজ পাড়ি জমাচ্ছে আমাদের মহাবিশ্বে।কেন এবং কিভাবে এর সৃষ্টি তা এখন আমাদের সবার চোখের সামনেই দৃষ্ট ও পরিষ্কার। তবু কিছু ব্যাপার আছে যা সবার পেটে আসে কিন্তু মুখে আসে না। সেই জিনিসগুলো নিয়েই শুরু করছি আমার চেইন টিউন মহাবিশ্বের শুরু থেকে শেষে র প্রথম পর্ব বিগব্যাং ।

        আদি মহাবিশ্ব এবং এর স্থায়িত্বকাল

আমাদের মহাবিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে ছিল এক্‌টি ক্ষুদ্র বিন্দুর মত।কেউ বলতে পারবে না যে আর কিছু ছিল কিনা। কারণ তখনও পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাব ঘটেনি।মানুষ তো দূরে থাক, আমাদের পৃথিবীর আদি বাসিন্দা ডায়নাসরদেরও আগমন হয়নি তখন।আর definitely তারা যেহেতু পৃথিবীর আদি নিবাসী ছিল সুতরাং বিগব্যাং এর আগে তাদের অস্তিত্ব কল্পনা করা আর বামুন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়ানোর কল্পনা করা একই কথা।যদি আমরা মনে মনে একটি ধারনা নিয়ে নেই যে মহাবিশ্ব আগে ছিল ক্ষুদ্র ১টি বিন্দু তাহলে হয়ত সবার কল্পনায় আসার কথা।

বিগব্যাং-এর পূর্বে মহাবিশ্ব

বড় অদ্ভুত লাগে আমার যে এতটুকু এক্‌টি বিন্দু থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টি !!! মহাবিশ্বের কোন আরম্ভ ছিল কিনা এবং থাকলে তা কিভাবে শুরু হয়েছিল তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মাঝে বিতর্ক চলে আসছে সেই আদিকাল থেকে।সপ্তদশ শতাব্দীতে বিশপ ঊষার বলেছিলেন যে এ মহাবিশ্বের সৃষ্টি ৪০০০ খৃষ্টাব্দে।কিন্তু অন্য দিকে গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের নিকট এ যুক্তি গ্রহনযোগ্য হয় নি।তিনি বলেছেন যে মহাবিশ্বের অস্তিত্ব রয়েছে চিরকাল এবং থাকবে।


বিগব্যাং-এর শুরুতে

আধুনিক বিজ্ঞানের মতে এ মহাবিশ্ব প্রথমে এক্‌টি ছোট অণু পরিমাণ বস্তু ছিল, যার ভেতরে জমেছিল অবিবর্ণনীয় জ্বালানী।এবং এত ছোট এক্‌টি বস্তুর মাঝে এত শক্তি সঞ্চয় হবার কারনেই তা বিষ্ফরিত হয়ে বিগব্যাং - এর মাধ্যমে সৃষ্টি করে এ মহাবিশ্বের।

মহাবিশ্বের সদস্যদের জন্ম ইতিহাস

আমাদের পৃথিবী মানুষের বসবাস করার জন্য সব চাইতে উপযোগী জায়গা।কিন্তু আপ্‌নারা কি জানেন যে আমাদের পৃথিবীর জন্ম কবে ? বিগব্যাং - এর সম্পাদনা হবারও বিলিয়ন বিলিয়ন বছর পর এসে আমাদের পৃথিবীর মত গ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।কিন্তু কেন ? হয়তো স্রষ্টার ইচ্ছেতেই।কারণ বিগব্যাং - এর পর প্রচন্ড তাপ উৎপন্ন হয়েছিল, আর স্বভাবতই অত তাপে আমাদের বেচে থাকার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।তাই স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ আমরা সবাই।

বিগব্যাং শেষে সৃষ্ট আমাদের মহাবিশ্ব কিভাবে জানা গেল পৃথিবীর জন্মের ইতিহাস

আজ আমি আপনাদের সাথে পৃথিবীর জন্মের ইতিহাস share করছি। কিন্তু কাদের অবদান আমাদের এই জানার পেছনে তা কি জানেন ? বলছি। Southern California - তে প্রায় কয়েক যুগ আগে Scientist Edmund Hubble আবিষ্কার করেন এক্‌টি টেলিস্কোপের।যার দৈর্ঘ ছিল ১০১ ইঞ্চি।তিনিই বলেছিলেন এই বিগব্যাং - এর কথা। এর আগে কেউ বলেছিলেন কিনা আমার তা জানা নেই, কিন্তু তিনিই প্রথম তার টেলিস্কোপ দিয়ে এর চাক্ষুষ প্রমাণ দিয়ে ছিলেন।

ডঃএডমন্ড হাবল

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অস্তিত্বের প্রকাশ করেন তিনি।তার অবদানে আজ জ্যোতির্বিজ্ঞান অনেক এগিয়ে গিয়েছে।জন্ম দিয়েছে অনেক না জানা সৃষ্টির।

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি-যার অবদানে আমরা

শুধু পৃথিবী নয়, আরও অনেক গ্রহ আছে পুরো মহাবিশ্বে। এবং সব গ্রহ নক্ষত্রের সঞ্চারণস্থল হচ্ছে তাদের গ্যালাক্সি।আর আমাদের এই পৃথিবীকে যে সঞ্চারনশীল রেখেছে তা হচ্ছে আমাদের গ্যালাক্সি মিল্কিওয়ে।ধারণা করা হয় যে বিগব্যাং এর পর - ই সৃষ্টি এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির।

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি - আমদের সৌরজগতের মা

এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির চারপাশ ঘিরে রয়েছে আমাদের সৌরজগৎ।বলতে গেলে এই গ্যালাক্সির বদৌলতেই আমাদের পৃথিবী টিকে আছে।কিন্তু আপনারা যারা আমার মহাবিশ্ব ও প্রলয়ের ঝংকার টিউন্‌টি পড়েছেন তারা জানেন যে আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে যে ব্ল্যাক্‌হোল্‌ নামক দৈত্য টি আছে তা আমাদের সৌরজগতের সব সদস্যকে তার নিজের দিকে টান্‌ছে।কিন্তু বিজ্ঞানীগণ বলতে পারছেন না যে কবে নাগাদ সূর্যের জ্বালানী শেষ হবে আর কবেই বা আমাদের সৌরজগতের মা তার নিজের সন্তান্‌দেরকে নিজেই খেতে শুরু করবে।

সৃষ্ট পৃথিবী এবং আজকের প্রযুক্তি

আজ আমরা আমদের গ্যালাক্সির সবচাইতে উপযুক্ত গ্রহের বাসিন্দা। মনে রাখবেন যে আমাদের মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে আমাদের পৃথিবী সৃষ্টিরও কয়েক বিলিয়ন বছর আগে।কিন্তু আমাদের প্রযুক্তি আজ অনেক এগিয়ে গিয়েছে।ব্ল্যাক্‌হোল্‌ ট্রেস করার জন্য সেরকম প্রযুক্তি আমাদের হাতের মুঠোয়। কিন্তু এ মহাবিশ্বের অন্যান্য গ্রহাণুপুঞ্জের তুলনায় হয়ত আমরা কিছুই নই।বিগব্যাং ঘটেছে আজ থেকে ১২ বা ১৪ বিলিয়ন বছর আগে, আর আমাদের পৃথিবীর বয়স মাত্র ২ হাজার কোটি বছর।

আমাদের বাস্‌স্থান পৃথিবী

আর মহাবিশ্বে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির মত এমন অনেক গ্যালাক্সি ধ্বংস হয়ে গেছে ব্ল্যাক্‌হোলের কারণে, যার অর্থ হচ্ছে আমাদের চারপাশ দিয়েও অনেক ব্ল্যাক্‌হোল্‌ রয়েছে।কিন্তু স্রষ্টার অশেষ রহমতে আমাদের গ্যালাক্সিতে আজ পর্যন্ত কোন ব্ল্যাক্‌হোল্‌ ঢুক্‌তে পারেনি।কিন্তু যদি কখনো আসে ? চিন্তা করুন আর সেই ধ্বংসযজ্ঞকে উপলব্ধি করুন।আর মন্‌কে বলুন আমাদের প্রযুক্তি তখন কি করে ঠেকাবে এই দৈত্যকে ?

Monday, April 16, 2018

MAY DAY-ইতিহাস এর টানে!

কেন পালন করা হয় মে দিবস?
মে মাসের ১ তারিখ কী ঘটেছিল?
মে দিবসের ইতিহাস!

MAY1:International Labour Day

মে মাসের ১ তারিখে আট ঘন্টা কর্মদিবস প্রতিষ্টার জন্য শ্রমজীবী মানুষদের ঐতিহাসিক সংগ্রাম ও ত্যাগকে স্মরণ করার জন্য বিশ্বব্যাপী মে দিবস বা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালন করা হয়।এটি বিশ্বের প্রায় সর দেশেরই একটি সরকারি ছুটির দিন।


১৮ ও ১৯ শতকে ইউরোপ ও আমেরিকায় শিল্প বিপ্লবের ফলে মিল ও কারখানায় শ্রমিকদের ১৪ ঘন্টা বা তারও বেশি সময় ধরে কাজ করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসের ১ তারিখে ট্রেড ইউনিয়নের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে শিকাগোর ম্যাককর্মিক হার্ভেস্টার কোম্পানির শ্রমিকরা ৮ ঘন্টা কর্মদিবসের দাবিতে ধর্মঘটে যায়। ২ দিন পর ম্যাককর্মিক হার্ভেস্টার কোম্পানিরর পাশে একটি মিছিল করা হয় এবং প্রায় ৬০০০ এরও বেশি শ্রমিক এতে যোগ দেয়।শ্রমিক নেতারা মিছিলটি পরিচালনা করেন।তারা শ্রমিকদের অনুরোধ করে একত্রে থাকতে,তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে এবং তাদের উর্দ্ধতনের কাছে নতি স্বীকার না করতে। ঠিক এই সময় কাছু ধর্মঘট ভঙ্গকারী ( উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ) সভাস্থল ত্যাগ করতে শুরু করে।শ্রমিকরা তাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য রাস্তায় গেলে হঠাং প্রায় ২০০ জন পুলিশ লাঠি ও রিভলভার তাদেরতে আক্রমণ করে। একজন শ্রমিক তৎক্ষনাক মারা যায়,পাঁচ ছয় জন মারাত্মক ভাবে আহত হয় এবং তাদের মধ্যে অনেকেই মারাত্মক ভাবে আঘাত পায়।

১৯৮৬ সালের ১ লা মে'র ঘটনা মনে করিয়ে দেয় যে শ্রমিকদের উপর শোষণ চলতেই থাকবে যতক্ষণ না তারা রুখে দাড়াবে এবং উন্নত কর্ম পরিবেশ, মজুরি এবং জীবন যাপনের জন্য দৃঢ় কণ্ঠে কথা বলবে ।

মে দিবস নিয়ে এই কমিকস টা পড়তে পারো!


Thanks For Reading
Writer:Fahim
Editor:Myin

Thursday, April 12, 2018

EXTRATERRESTRIAL OR ALIEN LIFE REALLY EXIST!

A research conducted by me about Extraterrestrial life by collecting 20 best questions from some of my diverse ideological friend  in Facebook.

All my friends
I got so many questions and get inspiration from some interested mind about the mysterious phenomena of Aliens and other extraterrestrials.
In this post I have given those questions and proof of extraterrestrial life from historical,scientific and religious view.
HOPE YOU WILL ENJOY THIS POST

Thanks a lot guys for helping me with your inquisitive and curious mind.

This questions are given below....


1.How can we know the physical structure of Aliens and how can we be sure about their existence??(@Binita)2.Why most of the Aliens picturess are like human shape?(Aragon)
3.If we want to make an UFO what will be the components?(@Aragon)
4.Does God created Alien species?(@Lisa)
5.Are Aliens inferior than us?(@Lisa)
6.Does God like them or like us?(@Lisa)
7.Is there really any Alien or extraterrestrials or it's just hoax?(@HCL)
8.Are they wise and their technology is much more super than us?(@Soni)
9.Where are they?(@Asif)
10.Why they are not communicating with us?(@Asif)
11.Is their any Aliens in Earth or all the news are fake?(@Hiya)
12.Can you prove there were Aliens and they ruled us once in Earth?(@Ryan)
13.What they look like?(@Ryan)
14.What's the view of religious holy books like Quran and Bible about extraterrestrial life?(@Myin)
15.What's the view of string theory about Alien?(@Myin)
16.Why we should to believe in Alien existence?(@Myin)
17.How Alien were created?(@Myin)
18.How many species  of Extraterrestrials are surviving in this Universe or out of this Universe? (@Myin)
19.Why Alien explored Earth in prehistoric era and why they left Earth?(@Myin)
20.Is it real that, Area-51 and some other organizaions are conducting research on Extraterrestrial life and they claimed that they had caught some Aliens and UFO too and researching about Aliens biological and physical structure and trying to find out Aliens civiliztion!?(@Myin)

EXTRATERRESTRIAL LIFE OR ALIEN DOES EXIST!

Those who don't believe in Alien existence or any extraterrestrials you should to first believe in "String theory, some historical evidence, some religious scriptures and some of my logic too".

Why we should to believe in Alien existence?

♦Scientific logic............... ♦

If u believe or not String theory is the best theory for today's world and it confirmed the existence of Alien theoritically. Strings are 10^(-33)cm and everything controlled by the alignment of strings into them.This alignment of Strings are responsible for all kilter around us and out of us.According to string theory there are so many Universe(Parallel Universe) and their are 10^(500) different types of universe which can be geometrically both analogous like our Universe  or varient or reverser than our universe. So thinks a bit deeper.In this vast Universe there are so many Galaxy and many many stars and uncountable pleanets.Now when you will think for 10^(500) Universe than you can't escape except believeing Extraterrestrial or Aliensexistence because from this all universe can't it be possible to exist some Extraterrestrials planet? Of courses!why not?


♦ Now come to some historical proof...♦

 Once Alien ruled us especially in Egypt and Mayan civilization and some other places.Alien ruled Egypt for Gold which was most needy in their planet for their spacecraft to make interstellar travels and they also helped Egyptians in the revolutionary progress of their technology.Later Alien left us because of the increasing density of population and Egyptians though Aliens as God and  worship them.Thus Aliens helped us and ruled us but some says that Shiva defated all alien races and that's why they left us.There are some stone work or epigraphic works and historical evidence of Egyptians and Mayans for this.

♦ Now come to the religious proof......♦

 Quran,Bible and Gita and some religious scriptures described Alien civilizations.
 Quran described Aliens physical structure and their existence in outer space and their civilization too.Again Quran says it can be possible to meet with them if God wishes otherwise it can't be.Aaccording to some of mine Christian friends,who are very truth seeker and intelligent,claimed that,"In Bible Shatan are one species of Aliens and Aliens have no physical form rather they have nothing but spiritual form.Actually didn't believe this prediction of Bible where Gita also predicted the physical form of Aliens and says that Shiva had defeated the Alien ethnicities and that's why Alien left us.

I didn't explain exhaustively rather I explail here in summarized succinct way.I think it's perfect,congenial and appropriate  for believing in Alien existetence for those who contradict and clamor against the existence of Aliens and other Extraterrestrials.
Now you can ask me any questions regarding this topic and you can show your proof too against my post if you have such proof.

SOME REFERENCES


  • http://www.endphysics.com/aliens_in_the_quran.html
  • https://www.alislam.org/library/books/revelation/part_4_section_7.html
  • https://www.ucg.org/the-good-news/extraterrestrial-life-what-does-the-bible-say
  • https://churchpop.com/2014/12/30/verses-conspiracy-aliens/
  • https://www.openbible.info/topics/aliens
  • http://www.crystalinks.com/Mahabharata.html
  • https://www.quora.com/What-do-the-Vedas-or-Hindu-Scriptures-say-about-aliens-Is-there-any-explanation-or-reference-to-aliens-anywhere-in-Vedas-or-in-any-other-sacred-texts-of-Hinduism


Thanks you guys
Myin